ঢাকা ০৮:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

ভারত থেকে গরু আমদানির অনুমতিপত্রটি ভুয়া: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সতর্কতা

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ভারত থেকে গবাদিপশু বা গরু আমদানির যে তথাকথিত অনুমতিপত্রটি ছড়িয়ে পড়েছে, সেটি সম্পূর্ণ ভুয়া ও বানোয়াট বলে জানিয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। শনিবার এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে মন্ত্রণালয় সাধারণ জনগণকে এ বিষয়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সতর্ক করেছে।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের নামে প্রচারিত ওই পত্রে ব্যবহৃত তথ্য, নম্বর এবং স্বাক্ষরগুলোর কোনো বৈধতা নেই। এটি কোনো সরকারি অনুমোদিত নথি নয় বরং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির জন্য তৈরি করা হয়েছে। সরকারি কোনো প্রক্রিয়ার সঙ্গেই এই জাল চিঠির কোনো মিল পাওয়া যায়নি।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, এ ধরনের অসত্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হতে পারে। সঠিক তথ্যের জন্য শুধুমাত্র প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা নির্ভরযোগ্য সরকারি সূত্র অনুসরণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। কোনো যাচাই ছাড়াই এ ধরনের স্পর্শকাতর তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার না করার জন্যও আহ্বান জানানো হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঋণখেলাপির দায়ে শপথ নিতে পারবেন না আসলাম চৌধুরী: আদালতের রায়ের পর তৃণমূল নেতাকর্মীদের আবেগঘন প্রতিক্রিয়া

ভারত থেকে গরু আমদানির অনুমতিপত্রটি ভুয়া: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সতর্কতা

আপডেট সময় : ১২:৫৪:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ভারত থেকে গবাদিপশু বা গরু আমদানির যে তথাকথিত অনুমতিপত্রটি ছড়িয়ে পড়েছে, সেটি সম্পূর্ণ ভুয়া ও বানোয়াট বলে জানিয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। শনিবার এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে মন্ত্রণালয় সাধারণ জনগণকে এ বিষয়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সতর্ক করেছে।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের নামে প্রচারিত ওই পত্রে ব্যবহৃত তথ্য, নম্বর এবং স্বাক্ষরগুলোর কোনো বৈধতা নেই। এটি কোনো সরকারি অনুমোদিত নথি নয় বরং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির জন্য তৈরি করা হয়েছে। সরকারি কোনো প্রক্রিয়ার সঙ্গেই এই জাল চিঠির কোনো মিল পাওয়া যায়নি।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, এ ধরনের অসত্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হতে পারে। সঠিক তথ্যের জন্য শুধুমাত্র প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা নির্ভরযোগ্য সরকারি সূত্র অনুসরণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। কোনো যাচাই ছাড়াই এ ধরনের স্পর্শকাতর তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার না করার জন্যও আহ্বান জানানো হয়েছে।