মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
০২:১৭ পূর্বাহ্ন | ৩০শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | শুক্রবার, ১৪ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

রপ্তানি আয়ে বড় পতন: ফেব্রুয়ারিতে কমলো ১২%, আট মাসেও নেতিবাচক ধারা

  • হালনাগাদ সময় : ০৬:১৫:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

সদ্য বিদায়ী ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ে বড় ধরনের পতন হয়েছে। এই এক মাসে রপ্তানি আয় কমেছে প্রায় ১২ শতাংশ। এর ফলে চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) সামগ্রিক রপ্তানি আয়েও নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় কমেছে ৩.১৫ শতাংশ। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) সোমবার প্রকাশিত তাদের সর্বশেষ পরিসংখ্যানে এই তথ্য জানিয়েছে।

ইপিবির প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আট মাসে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩১.৯১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা গত অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ৩২.৯২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। অর্থাৎ, এক বছরের ব্যবধানে সামগ্রিক রপ্তানি কমেছে ৩.১৫ শতাংশ। বিশেষ করে ফেব্রুয়ারি মাসে রপ্তানি আয়ে ১২ শতাংশের মতো বড় পতন সামগ্রিক চিত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

রপ্তানি কমে যাওয়ার পেছনে বেশ কিছু কারণ চিহ্নিত করেছে ইপিবি। এর মধ্যে রয়েছে বন্দর কার্যক্রমে বিঘ্ন, সদ্য সমাপ্ত জাতীয় নির্বাচন এবং বাংলাদেশের প্রধান বৈশ্বিক বাজারগুলোতে পণ্যের চাহিদা কমে যাওয়া। এসব কারণ সম্মিলিতভাবে রপ্তানি প্রবাহে মন্দা সৃষ্টি করেছে।

দেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান উৎস তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাতও এই সময়ে প্রতিকূলতার সম্মুখীন হয়েছে। জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে আরএমজি খাতে রপ্তানি হয়েছে ২৫ হাজার ৭৯৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩.৭৩ শতাংশ কম। যদিও এই খাতের মধ্যে নিটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল ছিল এবং ওভেন পোশাকের চেয়ে ভালো অবস্থানে ছিল।

তবে আশার কথা হলো, কিছু গুরুত্বপূর্ণ খাতে বছরওয়ারি ভিত্তিতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং এবং হিমায়িত মাছ। রপ্তানি গন্তব্যের দিক থেকে এখনো যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাজার। এই সময়ে দেশটিতে রপ্তানি হয়েছে ৫ হাজার ৮৭৪.১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় শূন্য দশমিক ৭৪ শতাংশ বেশি। এছাড়া, চীনেও রপ্তানি বেড়েছে ১৯.১২ শতাংশ, যা একটি ইতিবাচক দিক।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

নেত্রকোনায় শতবর্ষী গির্জা থেকে ৪০ কেজির ঘণ্টা চুরি

29 October 2026

বোগেনভিলিয়া কীভাবে হয়ে উঠল রবীন্দ্রনাথের ‘বাগানবিলাস’

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

রপ্তানি আয়ে বড় পতন: ফেব্রুয়ারিতে কমলো ১২%, আট মাসেও নেতিবাচক ধারা

হালনাগাদ সময় : ০৬:১৫:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

সদ্য বিদায়ী ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ে বড় ধরনের পতন হয়েছে। এই এক মাসে রপ্তানি আয় কমেছে প্রায় ১২ শতাংশ। এর ফলে চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) সামগ্রিক রপ্তানি আয়েও নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় কমেছে ৩.১৫ শতাংশ। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) সোমবার প্রকাশিত তাদের সর্বশেষ পরিসংখ্যানে এই তথ্য জানিয়েছে।

ইপিবির প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আট মাসে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩১.৯১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা গত অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ৩২.৯২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। অর্থাৎ, এক বছরের ব্যবধানে সামগ্রিক রপ্তানি কমেছে ৩.১৫ শতাংশ। বিশেষ করে ফেব্রুয়ারি মাসে রপ্তানি আয়ে ১২ শতাংশের মতো বড় পতন সামগ্রিক চিত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

রপ্তানি কমে যাওয়ার পেছনে বেশ কিছু কারণ চিহ্নিত করেছে ইপিবি। এর মধ্যে রয়েছে বন্দর কার্যক্রমে বিঘ্ন, সদ্য সমাপ্ত জাতীয় নির্বাচন এবং বাংলাদেশের প্রধান বৈশ্বিক বাজারগুলোতে পণ্যের চাহিদা কমে যাওয়া। এসব কারণ সম্মিলিতভাবে রপ্তানি প্রবাহে মন্দা সৃষ্টি করেছে।

দেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান উৎস তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাতও এই সময়ে প্রতিকূলতার সম্মুখীন হয়েছে। জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে আরএমজি খাতে রপ্তানি হয়েছে ২৫ হাজার ৭৯৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩.৭৩ শতাংশ কম। যদিও এই খাতের মধ্যে নিটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল ছিল এবং ওভেন পোশাকের চেয়ে ভালো অবস্থানে ছিল।

তবে আশার কথা হলো, কিছু গুরুত্বপূর্ণ খাতে বছরওয়ারি ভিত্তিতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং এবং হিমায়িত মাছ। রপ্তানি গন্তব্যের দিক থেকে এখনো যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাজার। এই সময়ে দেশটিতে রপ্তানি হয়েছে ৫ হাজার ৮৭৪.১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় শূন্য দশমিক ৭৪ শতাংশ বেশি। এছাড়া, চীনেও রপ্তানি বেড়েছে ১৯.১২ শতাংশ, যা একটি ইতিবাচক দিক।

Share this news as a Photo Card