মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
০১:২১ পূর্বাহ্ন | ৩০শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | শুক্রবার, ১৪ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

মহাকাশে ডেটা সেন্টার বানাবে চীন

  • হালনাগাদ সময় : ০৭:২০:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৮ বার পড়া হয়েছে

২০২৫ সালের শেষ নাগাদ বা ২০২৬ সালের প্রথম দিকে উচ্চ–ক্ষমতাসম্পন্ন পরীক্ষামূলক কম্পিউটিং স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের প্রস্তুতি নিচ্ছে চীন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সংক্রান্ত প্রক্রিয়াকরণের কাজে দ্রুত বর্ধনশীল কম্পিউটিং চাহিদা মেটাতে এটি হবে নতুন সমাধান। বৃহস্পতিবার এমনটা জানিয়েছেন বেইজিং অ্যাস্ট্রো–ফিউচার ইনস্টিটিউট অব স্পেস টেকনোলজির গবেষকরা।

সংস্থার পরিচালক চাং শানছোং জানান, বিশ্বে বড় ডেটা সেন্টারের বিস্তৃতি দ্রুত বাড়ছে। তবে স্থানের সংকট, জ্বালানি খরচ বৃদ্ধি ও কুলিংয়ের সীমাবদ্ধতা বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে ডেটা সেন্টারের বিদ্যুৎ চাহিদা দ্বিগুণ বেড়ে প্রায় ৯৪৫ টেরাওয়াট–ঘণ্টায় পৌঁছাতে পারে। এই বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রাখবে এআই।

গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি জানায়, মহাকাশে থাকা সূর্যের অপরিমেয় জ্বালানি ও মাইনাস ২৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের স্থিতিশীল পরিবেশকে কাজে লাগানো সম্ভব। প্রকল্পটি এখন প্রাথমিক গবেষণা পর্যায়ে রয়েছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, পৃথিবীর ৭০০–৮০০ কিলোমিটার উচ্চতায় ১৬টি স্পেস ডেটা সেন্টারের একটি বহর তৈরি করা হবে। এই কক্ষপথে প্রায় সবসময়ই সূর্যালোক থাকে। ওই বহরটি নেটওয়ার্কে আনুমানিক ১৬ গিগাওয়াট শক্তি সরবরাহ করতে পারবে। এ ছাড়া, নকশায় ব্যবহার করা হচ্ছে উচ্চ–ঘনত্বের সৌরকোষ ও নমনীয় রেডিয়েটিং প্যানেল।

চাং বলেন, এ প্রকল্প তিন ধাপে সম্পন্ন হবে। প্রথম ধাপে কক্ষপথে কম্পিউটিং শক্তি ও কুলিং প্রযুক্তির পরীক্ষা হবে এবং একাধিক পরীক্ষামূলক স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা হবে। দ্বিতীয় ধাপে (২০২৮–২০৩০) খরচ কমিয়ে মহাকাশে কম্পিউটিংয়ের ব্যয়কে পৃথিবীর ডেটা সেন্টারের সমপর্যায়ে আনা হবে এবং তৃতীয় ধাপে (২০৩১–২০৩৫) কক্ষপথে সৌরশক্তিচালিত আরও বড় স্থাপনা গড়া হবে।

সূত্র: সিএমজি

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ধানের শীষের বড় জয়, ১ লাখ ৩১ হাজার ভোটে জিতলেন মির্জা ফয়সল

29 October 2026

শিশুদের বইপড়া ও সংস্কৃতিচর্চায় উদ্বুদ্ধ করার আহ্বান সংস্কৃতিমন্ত্রীর

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

মহাকাশে ডেটা সেন্টার বানাবে চীন

হালনাগাদ সময় : ০৭:২০:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫

২০২৫ সালের শেষ নাগাদ বা ২০২৬ সালের প্রথম দিকে উচ্চ–ক্ষমতাসম্পন্ন পরীক্ষামূলক কম্পিউটিং স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের প্রস্তুতি নিচ্ছে চীন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সংক্রান্ত প্রক্রিয়াকরণের কাজে দ্রুত বর্ধনশীল কম্পিউটিং চাহিদা মেটাতে এটি হবে নতুন সমাধান। বৃহস্পতিবার এমনটা জানিয়েছেন বেইজিং অ্যাস্ট্রো–ফিউচার ইনস্টিটিউট অব স্পেস টেকনোলজির গবেষকরা।

সংস্থার পরিচালক চাং শানছোং জানান, বিশ্বে বড় ডেটা সেন্টারের বিস্তৃতি দ্রুত বাড়ছে। তবে স্থানের সংকট, জ্বালানি খরচ বৃদ্ধি ও কুলিংয়ের সীমাবদ্ধতা বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে ডেটা সেন্টারের বিদ্যুৎ চাহিদা দ্বিগুণ বেড়ে প্রায় ৯৪৫ টেরাওয়াট–ঘণ্টায় পৌঁছাতে পারে। এই বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রাখবে এআই।

গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি জানায়, মহাকাশে থাকা সূর্যের অপরিমেয় জ্বালানি ও মাইনাস ২৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের স্থিতিশীল পরিবেশকে কাজে লাগানো সম্ভব। প্রকল্পটি এখন প্রাথমিক গবেষণা পর্যায়ে রয়েছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, পৃথিবীর ৭০০–৮০০ কিলোমিটার উচ্চতায় ১৬টি স্পেস ডেটা সেন্টারের একটি বহর তৈরি করা হবে। এই কক্ষপথে প্রায় সবসময়ই সূর্যালোক থাকে। ওই বহরটি নেটওয়ার্কে আনুমানিক ১৬ গিগাওয়াট শক্তি সরবরাহ করতে পারবে। এ ছাড়া, নকশায় ব্যবহার করা হচ্ছে উচ্চ–ঘনত্বের সৌরকোষ ও নমনীয় রেডিয়েটিং প্যানেল।

চাং বলেন, এ প্রকল্প তিন ধাপে সম্পন্ন হবে। প্রথম ধাপে কক্ষপথে কম্পিউটিং শক্তি ও কুলিং প্রযুক্তির পরীক্ষা হবে এবং একাধিক পরীক্ষামূলক স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা হবে। দ্বিতীয় ধাপে (২০২৮–২০৩০) খরচ কমিয়ে মহাকাশে কম্পিউটিংয়ের ব্যয়কে পৃথিবীর ডেটা সেন্টারের সমপর্যায়ে আনা হবে এবং তৃতীয় ধাপে (২০৩১–২০৩৫) কক্ষপথে সৌরশক্তিচালিত আরও বড় স্থাপনা গড়া হবে।

সূত্র: সিএমজি

Share this news as a Photo Card