মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
০২:৪৩ পূর্বাহ্ন | ৩০শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | শুক্রবার, ১৪ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চিহ্নিতকরণে তথ্যব্যবস্থা জোরদারের উদ্যোগ

  • হালনাগাদ সময় : ০১:১৯:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

অনাকাঙ্ক্ষিত বন্যা, তীব্র তাপপ্রবাহ ও ঘূর্ণিঝড়ের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে পাঠদান বিঘ্নিত হওয়া ও অবকাঠামোগত ক্ষতি মোকাবিলায় জলবায়ু, দুর্যোগ ও শিক্ষা সম্পর্কিত তথ্যের সমন্বিত ব্যবস্থাপনা জোরদার করছে সরকার। এ ব্যবস্থার মাধ্যমে অতি ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়গুলো সহজেই চিহ্নিত করা, নিরাপদ অবকাঠামো তৈরিতে সরকারি বিনিয়োগের অগ্রাধিকার নির্ধারণ এবং দুর্যোগের মধ্যেও শিশুদের নিরবচ্ছিন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ঢাকার একটি হোটেলে ইউনেস্কোর সহযোগিতায় আয়োজিত তিন দিনব্যাপী জাতীয় কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষাবিদ ও বিশেষজ্ঞরা শিক্ষা ও জলবায়ু সম্পর্কিত তথ্যব্যবস্থার সমন্বয়, আন্তসংস্থা তথ্য আদান-প্রদান এবং শিক্ষাপরিকল্পনায় জলবায়ু ঝুঁকির ডাটা কার্যকরভাবে ব্যবহারের বিষয়ে আলোকপাত করেন। এতে বার্ষিক প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিসংখ্যানের (এপিএসএস) তথ্য সংগ্রহপদ্ধতি আধুনিকায়ন এবং নতুন জলবায়ু সূচক যুক্ত করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়।

সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব দেলোয়ারা বেগম বলেন, “প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা প্রচণ্ড তাপপ্রবাহের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে হলে শিক্ষা খাতের সামগ্রিক বিনিয়োগের সুফল ব্যাহত হয়। তাই টেকসই শিক্ষা নিশ্চিত করতে প্রতিটি শিক্ষাপরিকল্পনায় জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করা অত্যন্ত জরুরি।”

ইউনেস্কো ঢাকা অফিসের শিক্ষা বিভাগের প্রধান নোরিহিদে ফুরুকাওয়া মতামত ব্যক্ত করে বলেন, জলবায়ু-সহনশীল শিক্ষাকাঠামো গঠনে কেবল তথ্য সংগ্রহই শেষ কথা নয়; বরং সংগৃহীত ডাটার সঠিক বিশ্লেষণ ও কাঠামোগত ব্যবহারের মাধ্যমে নীতিনির্ধারকদের সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যৌথ নেতৃত্বে গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফর এডুকেশনের অর্থায়নে এবং ইউনেস্কোর কারিগরি সহায়তায় এই যুগান্তকারী পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হচ্ছে।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

হাতীবান্ধা সীমান্তে চিতাবাঘের সন্ধান মেলেনি, চার দিনের অভিযান শেষে ঢাকায় ফিরল বিশেষজ্ঞ দল

29 October 2026

নভেম্বর মাসেও অপরিবর্তিত থাকছে জ্বালানি তেলের দাম

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চিহ্নিতকরণে তথ্যব্যবস্থা জোরদারের উদ্যোগ

হালনাগাদ সময় : ০১:১৯:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

অনাকাঙ্ক্ষিত বন্যা, তীব্র তাপপ্রবাহ ও ঘূর্ণিঝড়ের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে পাঠদান বিঘ্নিত হওয়া ও অবকাঠামোগত ক্ষতি মোকাবিলায় জলবায়ু, দুর্যোগ ও শিক্ষা সম্পর্কিত তথ্যের সমন্বিত ব্যবস্থাপনা জোরদার করছে সরকার। এ ব্যবস্থার মাধ্যমে অতি ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়গুলো সহজেই চিহ্নিত করা, নিরাপদ অবকাঠামো তৈরিতে সরকারি বিনিয়োগের অগ্রাধিকার নির্ধারণ এবং দুর্যোগের মধ্যেও শিশুদের নিরবচ্ছিন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ঢাকার একটি হোটেলে ইউনেস্কোর সহযোগিতায় আয়োজিত তিন দিনব্যাপী জাতীয় কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষাবিদ ও বিশেষজ্ঞরা শিক্ষা ও জলবায়ু সম্পর্কিত তথ্যব্যবস্থার সমন্বয়, আন্তসংস্থা তথ্য আদান-প্রদান এবং শিক্ষাপরিকল্পনায় জলবায়ু ঝুঁকির ডাটা কার্যকরভাবে ব্যবহারের বিষয়ে আলোকপাত করেন। এতে বার্ষিক প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিসংখ্যানের (এপিএসএস) তথ্য সংগ্রহপদ্ধতি আধুনিকায়ন এবং নতুন জলবায়ু সূচক যুক্ত করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়।

সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব দেলোয়ারা বেগম বলেন, “প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা প্রচণ্ড তাপপ্রবাহের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে হলে শিক্ষা খাতের সামগ্রিক বিনিয়োগের সুফল ব্যাহত হয়। তাই টেকসই শিক্ষা নিশ্চিত করতে প্রতিটি শিক্ষাপরিকল্পনায় জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করা অত্যন্ত জরুরি।”

ইউনেস্কো ঢাকা অফিসের শিক্ষা বিভাগের প্রধান নোরিহিদে ফুরুকাওয়া মতামত ব্যক্ত করে বলেন, জলবায়ু-সহনশীল শিক্ষাকাঠামো গঠনে কেবল তথ্য সংগ্রহই শেষ কথা নয়; বরং সংগৃহীত ডাটার সঠিক বিশ্লেষণ ও কাঠামোগত ব্যবহারের মাধ্যমে নীতিনির্ধারকদের সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যৌথ নেতৃত্বে গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফর এডুকেশনের অর্থায়নে এবং ইউনেস্কোর কারিগরি সহায়তায় এই যুগান্তকারী পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হচ্ছে।

Share this news as a Photo Card