মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
১০:৫২ অপরাহ্ন | ২৭শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | মঙ্গলবার, ১১ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

বিস্মৃতির আড়ালে থাকা এক মনীষীর খোঁজে: আবু ফাতেমা মুহাম্মদ ইসহাকের সন্ধানে যাত্রা

  • হালনাগাদ সময় : ০১:২৯:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৭ বার পড়া হয়েছে

২০২৬ সালের ২৩ মার্চ সকালে এক নিভৃতপল্লির উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু হয়। গন্তব্য ছিল বৃহত্তর মোমেনশাহী অঞ্চলের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, অথচ বর্তমান প্রজন্মের কাছে প্রায় অপরিচিত এক মনীষীর পৈতৃক ভিটা। জাতীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সুরক্ষায় নিবেদিতপ্রাণ মুহাম্মদ উমারা হাবীবের সঙ্গী হয়ে এই অভিযানে শামিল হওয়া। এর আগে কবি রওশন ইজদানির জীবন নিয়ে কাজ করলেও এবার লক্ষ্য ছিল আরেক বিস্মৃত লেখক আবু ফাতেমা মুহাম্মদ ইসহাক।

কিশোরগঞ্জের নান্দাইল উপজেলার মেঠোপথ পেরিয়ে আমরা যখন বড়ইবাড়ি গ্রামে পৌঁছাই, তখন চারদিকের সবুজ প্রকৃতি আমাদের মুগ্ধ করে। সেখানে লেখকের পুত্র বুলবুল মাস্টারের সঙ্গে দেখা হয়। তিনি অত্যন্ত অসুস্থ হওয়া সত্ত্বেও আমাদের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। তার আলমারি থেকে বেরিয়ে আসে একের পর এক অমূল্য পাণ্ডুলিপি। ধর্ম, দর্শন, ইতিহাস এবং সাহিত্যের নানা শাখায় আবু ফাতেমা মুহাম্মদ ইসহাকের বিচরণ দেখে আমরা বিস্মিত হই। তার সাবলীল ভাষা ও গভীর চিন্তাধারা সমসাময়িক অনেক বড় লেখককেও হার মানায়। এমন এক প্রতিভাবান মানুষের কথা এতদিন অজানা থাকায় মনে এক ধরনের অনুশোচনাও কাজ করছিল।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজবাড়ী শহরে প্রকাশ্যে ব্যবসায়ী নেতাকে গুলি

27 October 2026

জামালপুরে যৌতুকের জন্য স্ত্রী হত্যা: ১১ বছর পর স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

বিস্মৃতির আড়ালে থাকা এক মনীষীর খোঁজে: আবু ফাতেমা মুহাম্মদ ইসহাকের সন্ধানে যাত্রা

হালনাগাদ সময় : ০১:২৯:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

২০২৬ সালের ২৩ মার্চ সকালে এক নিভৃতপল্লির উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু হয়। গন্তব্য ছিল বৃহত্তর মোমেনশাহী অঞ্চলের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, অথচ বর্তমান প্রজন্মের কাছে প্রায় অপরিচিত এক মনীষীর পৈতৃক ভিটা। জাতীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সুরক্ষায় নিবেদিতপ্রাণ মুহাম্মদ উমারা হাবীবের সঙ্গী হয়ে এই অভিযানে শামিল হওয়া। এর আগে কবি রওশন ইজদানির জীবন নিয়ে কাজ করলেও এবার লক্ষ্য ছিল আরেক বিস্মৃত লেখক আবু ফাতেমা মুহাম্মদ ইসহাক।

কিশোরগঞ্জের নান্দাইল উপজেলার মেঠোপথ পেরিয়ে আমরা যখন বড়ইবাড়ি গ্রামে পৌঁছাই, তখন চারদিকের সবুজ প্রকৃতি আমাদের মুগ্ধ করে। সেখানে লেখকের পুত্র বুলবুল মাস্টারের সঙ্গে দেখা হয়। তিনি অত্যন্ত অসুস্থ হওয়া সত্ত্বেও আমাদের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। তার আলমারি থেকে বেরিয়ে আসে একের পর এক অমূল্য পাণ্ডুলিপি। ধর্ম, দর্শন, ইতিহাস এবং সাহিত্যের নানা শাখায় আবু ফাতেমা মুহাম্মদ ইসহাকের বিচরণ দেখে আমরা বিস্মিত হই। তার সাবলীল ভাষা ও গভীর চিন্তাধারা সমসাময়িক অনেক বড় লেখককেও হার মানায়। এমন এক প্রতিভাবান মানুষের কথা এতদিন অজানা থাকায় মনে এক ধরনের অনুশোচনাও কাজ করছিল।

Share this news as a Photo Card