মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
১০:৫২ অপরাহ্ন | ২৭শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | মঙ্গলবার, ১১ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

বরেন্দ্রের তপ্ত রোদে স্মৃতির পহেলা বৈশাখ: রাজশাহীর সেই রঙিন সকাল

  • হালনাগাদ সময় : ০১:৪৪:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৯ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহীর বৈশাখ মানেই অন্যরকম এক আবহ। এখানে গ্রীষ্মের আগমন ঘটে একটু আগেভাগেই। বরেন্দ্র অঞ্চলের তপ্ত রোদ আর মাটির বুক চিরে আসা গরম হাওয়ার মধ্যেই এই শহরে পহেলা বৈশাখের উদযাপন শুরু হয়। কৃষ্ণচূড়ার লাল আভা আর রাধাচূড়ার হলুদ রঙে সেজে ওঠে প্রকৃতি, আর বাতাসে ভাসে শিমুল তুলোর ওড়াউড়ি। ভোরের হাওয়ায় মিশে থাকা ফুলের মিষ্টি গন্ধই জানান দেয় নতুন বছরের আগমনী বার্তা।

শৈশবের বৈশাখী সকালগুলো ছিল ভীষণ উত্তেজনার। ভোরে তামাটে আকাশের নিচে সাদা রোদের ঝিলিক আর কোকিলের ডাক মনকে প্রফুল্ল করে তুলত। বাড়িতে পান্তা-ইলিশ আর হরেক রকমের ভর্তার আয়োজন ছিল উৎসবের অবিচ্ছেদ্য অংশ। মায়ের হাতে মাখানো সেই সাধারণ খাবারের স্বাদ আজও স্মৃতিতে অমলিন হয়ে আছে। খাওয়ার শেষে বাবার হাত ধরে মেলায় যাওয়ার সেই মুহূর্তগুলো ছিল অমূল্য।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের বৈশাখী মেলা ছিল উৎসবের মূল কেন্দ্রবিন্দু। রঙিন দোকান, আলপনা আঁকা দেয়াল আর নাগরদোলার ক্যাঁচকোঁচ শব্দে মুখরিত থাকত চারুকলার প্রাঙ্গণ। শিক্ষার্থীদের নিপুণ হাতে তৈরি পোড়ামাটির ভাস্কর্য, রঙিন মুখোশ আর পটচিত্রগুলো দেখে মনে হতো এ যেন শিল্পের এক মায়াবী জগত। সেই রঙিন দিনগুলো আর নাগরদোলার সেই রোমাঞ্চকর অনুভূতি আজও মনের কোণে সজীব হয়ে আছে।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজবাড়ী শহরে প্রকাশ্যে ব্যবসায়ী নেতাকে গুলি

27 October 2026

জামালপুরে যৌতুকের জন্য স্ত্রী হত্যা: ১১ বছর পর স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

বরেন্দ্রের তপ্ত রোদে স্মৃতির পহেলা বৈশাখ: রাজশাহীর সেই রঙিন সকাল

হালনাগাদ সময় : ০১:৪৪:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

রাজশাহীর বৈশাখ মানেই অন্যরকম এক আবহ। এখানে গ্রীষ্মের আগমন ঘটে একটু আগেভাগেই। বরেন্দ্র অঞ্চলের তপ্ত রোদ আর মাটির বুক চিরে আসা গরম হাওয়ার মধ্যেই এই শহরে পহেলা বৈশাখের উদযাপন শুরু হয়। কৃষ্ণচূড়ার লাল আভা আর রাধাচূড়ার হলুদ রঙে সেজে ওঠে প্রকৃতি, আর বাতাসে ভাসে শিমুল তুলোর ওড়াউড়ি। ভোরের হাওয়ায় মিশে থাকা ফুলের মিষ্টি গন্ধই জানান দেয় নতুন বছরের আগমনী বার্তা।

শৈশবের বৈশাখী সকালগুলো ছিল ভীষণ উত্তেজনার। ভোরে তামাটে আকাশের নিচে সাদা রোদের ঝিলিক আর কোকিলের ডাক মনকে প্রফুল্ল করে তুলত। বাড়িতে পান্তা-ইলিশ আর হরেক রকমের ভর্তার আয়োজন ছিল উৎসবের অবিচ্ছেদ্য অংশ। মায়ের হাতে মাখানো সেই সাধারণ খাবারের স্বাদ আজও স্মৃতিতে অমলিন হয়ে আছে। খাওয়ার শেষে বাবার হাত ধরে মেলায় যাওয়ার সেই মুহূর্তগুলো ছিল অমূল্য।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের বৈশাখী মেলা ছিল উৎসবের মূল কেন্দ্রবিন্দু। রঙিন দোকান, আলপনা আঁকা দেয়াল আর নাগরদোলার ক্যাঁচকোঁচ শব্দে মুখরিত থাকত চারুকলার প্রাঙ্গণ। শিক্ষার্থীদের নিপুণ হাতে তৈরি পোড়ামাটির ভাস্কর্য, রঙিন মুখোশ আর পটচিত্রগুলো দেখে মনে হতো এ যেন শিল্পের এক মায়াবী জগত। সেই রঙিন দিনগুলো আর নাগরদোলার সেই রোমাঞ্চকর অনুভূতি আজও মনের কোণে সজীব হয়ে আছে।

Share this news as a Photo Card