মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
১০:০৩ পূর্বাহ্ন | ২৯শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | বৃহঃস্পতিবার, ১৩ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান নিয়ে বাংলাদেশ-পাকিস্তান আলোচনায় ভারতের সতর্ক নজর

  • হালনাগাদ সময় : ০৬:২০:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৪ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান ক্রয় সংক্রান্ত সম্ভাব্য আলোচনাকে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিষয় হিসেবে দেখছে নয়াদিল্লি। গত ৯ জানুয়ারি ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল স্পষ্ট করেছেন যে, বাংলাদেশের বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খানের সাম্প্রতিক ইসলামাবাদ সফর এবং সেখানে এই যুদ্ধবিমান নিয়ে আলোচনার বিষয়টির ওপর ভারত নিবিড়ভাবে নজর রাখছে। তিনি উল্লেখ করেন, ভারতের জাতীয় নিরাপত্তার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে এমন যেকোনো আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা চুক্তির গতিপ্রকৃতি পর্যবেক্ষণ করা নয়াদিল্লির নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ।

প্রতিরক্ষা আলোচনার পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনের বিষয়টিও ভারতের নজরে রয়েছে। আগামী ২৯ জানুয়ারি থেকে ঢাকা ও করাচির মধ্যে দীর্ঘ ১০ বছর পর পুনরায় সরাসরি ফ্লাইট চালুর সিদ্ধান্তের বিষয়ে জয়সওয়াল জানান, বিমান পরিষেবা চুক্তির আওতাতেই ফ্লাইটের জন্য ভারতের আকাশসীমা ব্যবহারের বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হবে। কূটনৈতিক সূত্রমতে, এই রুটে ফ্লাইট পরিচালনার ক্ষেত্রে ভারত ইতিমধ্যে ইতিবাচক সংকেত দিয়েছে, যা দক্ষিণ এশীয় আকাশপথে নতুন সহযোগিতার আবহ তৈরি করতে পারে। পাকিস্তান সরকারও বাংলাদেশের বিমানবাহিনীকে আধুনিকায়ন করতে এবং আকাশ প্রতিরক্ষা রাডার ব্যবস্থার উন্নয়নে জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমানের পাশাপাশি ‘সুপার মুশাক’ প্রশিক্ষণ বিমান দ্রুত সরবরাহের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

অন্যদিকে, ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর সাম্প্রতিক হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারত। রণধীর জয়সওয়াল একে উগ্রপন্থিদের একটি ‘উদ্বেগজনক ধরন’ হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, সাম্প্রদায়িক ঘটনাগুলোকে ব্যক্তিগত শত্রুতা বা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলে চালিয়ে দেওয়ার প্রবণতা অপরাধীদের উৎসাহিত করছে। একই সঙ্গে, বাংলাদেশে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, একটি গ্রহণযোগ্য ম্যান্ডেট পাওয়ার জন্য সব দলের অংশগ্রহণ জরুরি। ভারতের এই অবস্থান ও নজরদারি দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতার নতুন সমীকরণকে আরও স্পষ্ট করে তুলছে।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু

28 October 2026

যাত্রাবাড়ীতে ৫ লাখ ইয়াবা জব্দ, গুলশানে মদ-বিয়ার উদ্ধারসহ বিদেশে পাচারকালে ১২ নারী উদ্ধার

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান নিয়ে বাংলাদেশ-পাকিস্তান আলোচনায় ভারতের সতর্ক নজর

হালনাগাদ সময় : ০৬:২০:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান ক্রয় সংক্রান্ত সম্ভাব্য আলোচনাকে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিষয় হিসেবে দেখছে নয়াদিল্লি। গত ৯ জানুয়ারি ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল স্পষ্ট করেছেন যে, বাংলাদেশের বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খানের সাম্প্রতিক ইসলামাবাদ সফর এবং সেখানে এই যুদ্ধবিমান নিয়ে আলোচনার বিষয়টির ওপর ভারত নিবিড়ভাবে নজর রাখছে। তিনি উল্লেখ করেন, ভারতের জাতীয় নিরাপত্তার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে এমন যেকোনো আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা চুক্তির গতিপ্রকৃতি পর্যবেক্ষণ করা নয়াদিল্লির নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ।

প্রতিরক্ষা আলোচনার পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনের বিষয়টিও ভারতের নজরে রয়েছে। আগামী ২৯ জানুয়ারি থেকে ঢাকা ও করাচির মধ্যে দীর্ঘ ১০ বছর পর পুনরায় সরাসরি ফ্লাইট চালুর সিদ্ধান্তের বিষয়ে জয়সওয়াল জানান, বিমান পরিষেবা চুক্তির আওতাতেই ফ্লাইটের জন্য ভারতের আকাশসীমা ব্যবহারের বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হবে। কূটনৈতিক সূত্রমতে, এই রুটে ফ্লাইট পরিচালনার ক্ষেত্রে ভারত ইতিমধ্যে ইতিবাচক সংকেত দিয়েছে, যা দক্ষিণ এশীয় আকাশপথে নতুন সহযোগিতার আবহ তৈরি করতে পারে। পাকিস্তান সরকারও বাংলাদেশের বিমানবাহিনীকে আধুনিকায়ন করতে এবং আকাশ প্রতিরক্ষা রাডার ব্যবস্থার উন্নয়নে জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমানের পাশাপাশি ‘সুপার মুশাক’ প্রশিক্ষণ বিমান দ্রুত সরবরাহের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

অন্যদিকে, ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর সাম্প্রতিক হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারত। রণধীর জয়সওয়াল একে উগ্রপন্থিদের একটি ‘উদ্বেগজনক ধরন’ হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, সাম্প্রদায়িক ঘটনাগুলোকে ব্যক্তিগত শত্রুতা বা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলে চালিয়ে দেওয়ার প্রবণতা অপরাধীদের উৎসাহিত করছে। একই সঙ্গে, বাংলাদেশে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, একটি গ্রহণযোগ্য ম্যান্ডেট পাওয়ার জন্য সব দলের অংশগ্রহণ জরুরি। ভারতের এই অবস্থান ও নজরদারি দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতার নতুন সমীকরণকে আরও স্পষ্ট করে তুলছে।

Share this news as a Photo Card