বরিশাল সদর-৫ এবং বরিশাল-৫ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিম বলেছেন, নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত ভোটগ্রহণ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়েছে কিনা সে বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে তিনি রাজি নন। তিনি মনে করেন, নির্বাচনের পরিবেশ ভালো দেখা গেলেও তার পেছনের চিত্র ভিন্ন হতে পারে। আবার অনেক সময় পরিবেশ স্বাভাবিক থাকলেও ফলাফলে ভিন্নতা দেখা যায়, যা বাংলাদেশের নির্বাচনী ইতিহাসে বিরল নয়। এ কারণে, ভোটের আগেই নির্বাচন ভালো হয়েছে বা মন্দ হয়েছে এমন মন্তব্য করা সমীচীন নয় বলে তিনি জানান।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টায় বরিশাল নগরীর রুপাতলী সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে নিজের ভোট দেওয়ার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুফতি ফয়জুল করিম এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, নির্বাচনে কারচুপির সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। অতীতের নির্বাচনগুলোর দিকে তাকালে এই আশঙ্কা আরও জোরালো হয়। বিগত দিনের শঙ্কা দূর করে একটি সুন্দর ও সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। যতক্ষণ পর্যন্ত একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দেওয়া না হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত সাধারণ মানুষের ভালো নির্বাচনের প্রত্যাশা এবং প্রশাসনের আশ্বাসের পরও নির্বাচনকে ‘ভালো’ বলা যাবে না। দীর্ঘ সময় ধরে ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য অপেক্ষা করছেন।
মুফতি ফয়জুল করিম আরও জানান, গত রাতে বিভিন্ন স্থানে কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যেন দেশের কোথাও কোনো রকম সংঘর্ষ, কেন্দ্র দখল বা অন্য কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে। তিনি চান না যে জনগণ ভোট দেওয়ার পর ফলাফলে কোনো পরিবর্তন আসুক। ভোটাররা যাকে ভোট দেবেন, তার নির্বাচিত হওয়ার বিষয়টি যেন নিশ্চিত হয়। প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে তিনি এমনটাই প্রত্যাশা করেন।
তবে, তিনি অভিযোগ করে বলেন যে বরিশাল নগরীর মহিলা কলেজ কেন্দ্র থেকে তার নির্বাচনী এজেন্টকে বের করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার খবর আসছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এই পরিস্থিতিতে তিনি ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানান যেন তারা ইসলামের পক্ষে ‘হাতপাখা’ প্রতীকে ভোট দিয়ে তাদের রায় প্রদান করেন।
রিপোর্টারের নাম 























