দীর্ঘ ১৬ বছরের রাজনৈতিক বঞ্চনা ও অধিকারহীনতা কাটিয়ে নতুন এক বাংলাদেশের স্বপ্নে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টায় খাগড়াছড়ির শিশু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে সপরিবারে উপস্থিত হয়ে তিনি ভোট প্রদান করেন। এ সময় তার সঙ্গে বাবা, মা ও ভাইসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা ছিলেন।
ভোটদান শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সাদিক কায়েম বলেন, বাংলাদেশের মানুষ এমন একটি মাহেন্দ্রক্ষণের জন্য দীর্ঘকাল অপেক্ষা করেছে। গত দেড় দশকে এ দেশের সাধারণ মানুষ তাদের মৌলিক অধিকার ও আনন্দ থেকে বঞ্চিত ছিল। ছাত্র-জনতার যে মুক্তির লড়াই, আজ ব্যালটের মাধ্যমে প্রতিনিধি নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সেই আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়িত হওয়ার পথ সুগম হয়েছে।
দেশের প্রতিটি সচেতন নাগরিককে ভোটকেন্দ্রে আসার উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, যারা জুলাই বিপ্লবের চেতনাকে হৃদয়ে ধারণ করেন এবং সংস্কারের পক্ষে অবিচল, তাদেরই জয়যুক্ত করতে হবে। বিশেষ করে যারা চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা করেছেন এবং গত দেড় বছর ধরে বিপ্লব-পরবর্তী নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করছেন, তাদের প্রতিনিধি হিসেবে বেছে নেওয়া এখন সময়ের দাবি।
নির্বাচনে ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে সাদিক কায়েম বলেন, দেশের প্রায় ৪ কোটি তরুণসহ ১২ কোটি ভোটার এবার উৎসবে মেতে উঠবেন। একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে যারা জনরায় পাবেন, তারা ভবিষ্যতে দেশের ‘শাসক’ নয় বরং ‘জনগণের সেবক’ হিসেবে কাজ করবেন—এমনটাই দেশবাসীর প্রত্যাশা।
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ সূচক রায় দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও উল্লেখ করেন, গত ৫৫ বছরের পুঞ্জীভূত আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতে আমরা একটি বৈষম্যহীন ও ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গড়তে চাই। ইনসাফ ও ন্যায়ের পক্ষেই আজ নিজের রায় দিয়েছেন বলে জানান এই ছাত্রনেতা।
রিপোর্টারের নাম 























