কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্তে ফের এক নারীসহ নিজ দেশের তিন মুসলমান নাগরিককে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার (পুশইন) অভিযোগ উঠেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের বিরুদ্ধে।
রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) ভোররাতে উপজেলার শৌলমারী ইউনিয়নের চরবোয়ালমারী সীমান্তের আন্তর্জাতিক মেইন পিলার ১০৫৯ নম্বর এলাকা দিয়ে ভারতের কুকুরমারা বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা ৩ ভারতীকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পুশইন করে।
পুশইন করা তিন নাগরিকের সবাই মুসলমান। তারা হলেন— আসাম রাজ্যের নোয়াগাঁও জেলার সামগুরা থানার সালথা এলাকার বাসিন্দা আয়েশা বেগম (৫২), একই জেলার কলিয়াবর থানার আব্দুল জব্বার মিয়ার ছেলে রুস্তম আলী (৬৬) এবং রোহা থানার সমস আলীর ছেলে ইদ্রিস আলী (৪৬)।
সীমান্তের স্থানীয় বাসিন্দা কফিল উদ্দিন, আনোয়ার হোসেন ও আজাহার আলী জানান, বিএসএফ অবৈধভাবে একজন নারী ও দুজন পুরুষকে ভোররাতে বাংলাদেশের ভেতর ঠেলে দিয়েছে। তারা দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের তেকানিগ্রাম-বাঘেরহাট বাজারে ঘোরাঘুরি করছিল। পরে স্থানীয়রা জিজ্ঞাসা করলে ভারতের নাগরিক বলে পরিচয় দেয়। তবে পরে তারা কোনদিকে গেছে তা জানা যায়নি।
সীমান্তের একটি অনির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, ভারতীয় ওই তিন নাগরিক সীমান্তবর্তী এক বাসিন্দার আশ্রয়ে রয়েছেন। তবে তাদের অবস্থান নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এ ব্যাপারে জামালপুর বিজিবির অধীন গয়টাপাড়া বিজিবি ক্যাম্পের নায়েক সুবেদার মানিক মিয়া বলেন, নারী-পুরুষসহ তিন নাগরিককে অবৈধভাবে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পুশইন করেছে বলে জেনেছি। তবে ওই নাগরিকরা কোথায় রয়েছে তা জানা নেই।
এ ব্যাপারে জানতে জামালপুর বিজিবি ৩৫ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
এর আগে গত ২৪ ডিসেম্বর নারীসহ আসামের ৯ মুসলিম নাগরিককে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী সীমান্তপথে বাংলাদেশে ঠেলে দেয় বিএসএফ। পরে তাদের আটক করে ফেরত পাঠায় বিজিবি।
রিপোর্টারের নাম 
























