চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় বিগত পাঁচ বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে কমছে পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা। ২০২২ সালে যেখানে প্রতি ১০০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৮০ জনের বেশি পাস করেছিলেন, সেখানে ২০২৬ সালে এসে তা নেমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫২ জনে।
পাঁচ বছরের ব্যবধানে এই বোর্ডে পাসের হার ৮০ দশমিক ৫০ শতাংশ থেকে কমে ৫২ দশমিক ০৭ শতাংশে ঠেকেছে। একই সঙ্গে সর্বোচ্চ ফল জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে প্রায় ৭৭ শতাংশ। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে এক বিষয়ে বিপুল শিক্ষার্থীর অকৃতকার্য হওয়া, শতভাগ পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা হ্রাস এবং সামগ্রিকভাবে ফলাফলের বিপর্যয়।
মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রামের ২০২২ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত এইচএসসি পরীক্ষার তুলনামূলক পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত পাঁচ বছরে পাসের হার কমেছে ২৮ দশমিক ৪৩ শতাংশ পয়েন্ট। আর জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ৯ হাজার ৭৪১ জন। ফল বিপর্যয়ের এই চিত্র চট্টগ্রামের উচ্চমাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার সার্বিক মান নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি করেছে।
বোর্ডের তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০২২ সালে চট্টগ্রাম বোর্ডে পাসের হার ছিল ৮০ দশমিক ৫০ শতাংশ। ২০২৩ সালে তা কমে ৭৪ দশমিক ৪৫ এবং ২০২৪ সালে ৭০ দশমিক ৩২ শতাংশে দাঁড়ায়। তবে ২০২৫ সালে পাসের হারে বড় ধরনের ধস নামে, যার ধারাবাহিকতায় চলতি বছর তা আরও কমে পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন ৫২ দশমিক ০৭ শতাংশে নেমে এসেছে।
চলতি বছর এ বোর্ড থেকে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন ৯৬ হাজার ৩৩৫ জন শিক্ষার্থী, যার মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৫০ হাজার ১৬৬ জন। বিপরীতে জিপিএ-৫ পেয়েছেন মাত্র ২ হাজার ৯২৯ জন শিক্ষার্থী, যেখানে ২০২২ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ১২ হাজার ৬৭০ জন।




















