রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী ও টেকসই সমাধান মিয়ানমারেই নিহিত বলে দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে পুনর্ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে তিনি নিজ দেশে রোহিঙ্গাদের দ্রুত, নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করার বিষয়ে জোর তাগিদ দিয়েছেন। মঙ্গলবার টোকিওতে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ‘কান্তেই’তে দেশটির প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে তিনি এ অবস্থান তুলে ধরেন।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ অস্থিতিশীলতা ও রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে গভীর উদ্বেগ জানান। একই সঙ্গে বাংলাদেশে আশ্রিত লাখ লাখ বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গার জন্য মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখায় জাপানের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক সংলাপের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও জাপানের কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও জোরদার করার পাশাপাশি বাণিজ্য, জ্বালানি নিরাপত্তা, প্রযুক্তি, মহাকাশ গবেষণা এবং অবকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উল্লেখ করেন, ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ নবম বৃহত্তম ভোক্তা অর্থনীতিতে পরিণত হওয়ার পথে রয়েছে এবং ২০৩৪ সালের মধ্যে অর্থনীতি ১ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। এ অগ্রযাত্রায় তিনি জাপানের সরকারি ও বেসরকারি বিনিয়োগকে আরও ব্যাপকভাবে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে জাপানের ঐতিহাসিক সমর্থন এবং দুই দেশের সম্পর্ক জোরদারে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদানের কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
























