নীলফামারীতে আগাম আলু ও শীতকালীন সবজি চাষের ভরা মৌসুমে সার ও কীটনাশকের কৃত্রিম সংকট এবং অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির অভিযোগ উঠেছে। সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে সার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন স্থানীয় কৃষকেরা। সেই সঙ্গে মানসম্মত কীটনাশকের সংকটে উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় বড় ধরনের আর্থিক লোকসানের শঙ্কায় পড়েছেন তারা।
কিশোরগঞ্জ, জলঢাকা ও সদর উপজেলার কৃষকদের অভিযোগ, বিসিআইসি ও বিএডিসি অনুমোদিত ডিলারদের কাছে চাহিদামতো সার পাওয়া যাচ্ছে না। ডিলাররা বরাদ্দের ঘাটতির অজুহাত দেখালেও স্থানীয় অসাধু ব্যবসায়ী ও সাব-ডিলারদের কাছে চড়া দামে মিলছে ইউরিয়া, ডিএপি ও টিএসপিসহ সব ধরনের সার। খুচরা বাজারে বস্তাপ্রতি ৩০০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি গুনতে হচ্ছে এবং অনেক ক্ষেত্রে কোনো বিক্রয় রসিদও দেওয়া হচ্ছে না।
সারের পাশাপাশি বাজারে কীটনাশক ও ছত্রাকনাশকের দামও এক সপ্তাহের ব্যবধানে উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষকেরা। আমন ধান কাটার পর পরই আগাম আলুর বীজ রোপণের উপযুক্ত সময়ে সারের এমন সংকটে দিশাহারা তারা। এ অবস্থায় দ্রুত বাজার তদারকি জোরদার ও প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী চাষিরা।


























