সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, ইয়ানবুর আরামকো তেল শোধনাগার এবং দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সমন্বিত হামলার দায় স্বীকার করেছে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা। সম্প্রতি চালানো এসব হামলায় দুই প্রবাসী নিহত এবং অন্তত আটজন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে বাংলাদেশি নাগরিকও রয়েছেন।
ইয়েমেনের রাজধানী সানা থেকে এক ভিডিও বার্তায় হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি জানান, গত ৪৮ ঘণ্টায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে সৌদি আরবের ৪টি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও অর্থনৈতিক স্থাপনায় অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এর মধ্যে রিয়াদের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও দাম্মামের বিমানবন্দরে হামলায় বিমান চলাচল চরমভাবে ব্যাহত হয়।
এই হামলাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে তীব্র অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম একলাফে প্রায় ৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি ব্যারেল ১১২ ডলার ছাড়িয়েছে। পরিস্থিতির অবনতি দেখে সৌদি আরব থেকে কিছু মার্কিন কূটনৈতিক কর্মী ও সরকারি কর্মচারীদের সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে ওয়াশিংটন।
ইয়েমেনে যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার পর সৌদি সমর্থিত সরকারি বাহিনী ও হুতি বিদ্রোহীদের সংঘর্ষ নতুন করে প্রাণ পেয়েছে। জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক তথ্যানুযায়ী, সাম্প্রতিক এ সংঘাতের কারণে আড়াই লাখের বেশি মানুষ নতুন করে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।


























