মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
০৪:০২ অপরাহ্ন | ২৭শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | মঙ্গলবার, ১১ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

ইসলাম প্রচারে আধুনিক প্রযুক্তির ইতিবাচক ব্যবহার ও ‘ডিজিটাল মিম্বর’ ভাবনা

  • হালনাগাদ সময় : ১০:২০:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৬ বার পড়া হয়েছে

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির অভাবনীয় অগ্রগতি ইসলামি জ্ঞান, সংস্কৃতি ও দাওয়াতের বাণী বিশ্বদরবারে ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে। প্রাচীন মুদ্রণযন্ত্র কিংবা রেডিও-টেলিভিশনের ধারাবাহিকতায় বর্তমানের ইন্টারনেট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, স্মার্টফোন ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দ্বীনি প্রচারণাকে বহুগুণ সহজতর করেছে। ফলে একজন ইসলামিক স্কলার, গবেষক বা লেখক একই সময়ে বিশ্বের লাখ লাখ মানুষের কাছে পবিত্র কোরআন, হাদিস ও নৈতিক শিক্ষার বার্তা পৌঁছে দিতে পারছেন।

প্রযুক্তিকে ধর্মের বিকল্প নয়, বরং ইসলামের শাশ্বত জ্ঞান ও মূল্যবোধ ছড়িয়ে দেওয়ার একটি কার্যকর মাধ্যম হিসেবে দেখা হচ্ছে। নবী করিম (সা.) তাঁর জীবদ্দশায় দাওয়াতের কাজে ভাষা, পত্রবিনিময়, দূত প্রেরণ ও সরাসরি সাক্ষাৎকে কাজে লাগিয়েছিলেন। আধুনিক যুগে ভিডিও, অডিও, পডকাস্ট কিংবা অনলাইন কোর্সের মাধ্যমে দ্বীনের প্রচার বহু দূর বিস্তৃত হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্টদের মতে, দাওয়াতের সাফল্য কেবল ভিউ বা অনুসারী বৃদ্ধির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; মানুষের চিন্তা, চরিত্র ও নৈতিকতায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনাই এর মূল লক্ষ্য।

ঐতিহ্যগতভাবে মসজিদ, মাদরাসা ও ইসলামিক গ্রন্থাগার জ্ঞানচর্চার প্রধান কেন্দ্র হলেও আধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক ওয়েবসাইট, ইউটিউব বা সামাজিক প্ল্যাটফর্মগুলো এখন এক একটি ‘ডিজিটাল মিম্বর’ হিসেবে রূপ নিয়েছে। এর মাধ্যমে ভৌগোলিক সীমানা পেরিয়ে সর্বস্তরের মানুষের কাছে ইসলামি সমাধান পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। সর্বোপরি ডিজিটাল লাইব্রেরি ও অনলাইন ডেটাবেজ বিশ্বজুড়ে তাফসির ও হাদিসের মতো আকর গ্রন্থগুলোকে সাধারণ মানুষের হাতের নাগালে নিয়ে এসেছে।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

আজ জাতীয় কালো বিড়াল দিবস: কুসংস্কার দূর করে সহমর্মিতার বার্তা

27 October 2026

শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে মবের শিকার হবেন না, মুখোমুখি হবেন ন্যায়বিচারের: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

ইসলাম প্রচারে আধুনিক প্রযুক্তির ইতিবাচক ব্যবহার ও ‘ডিজিটাল মিম্বর’ ভাবনা

হালনাগাদ সময় : ১০:২০:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির অভাবনীয় অগ্রগতি ইসলামি জ্ঞান, সংস্কৃতি ও দাওয়াতের বাণী বিশ্বদরবারে ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে। প্রাচীন মুদ্রণযন্ত্র কিংবা রেডিও-টেলিভিশনের ধারাবাহিকতায় বর্তমানের ইন্টারনেট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, স্মার্টফোন ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দ্বীনি প্রচারণাকে বহুগুণ সহজতর করেছে। ফলে একজন ইসলামিক স্কলার, গবেষক বা লেখক একই সময়ে বিশ্বের লাখ লাখ মানুষের কাছে পবিত্র কোরআন, হাদিস ও নৈতিক শিক্ষার বার্তা পৌঁছে দিতে পারছেন।

প্রযুক্তিকে ধর্মের বিকল্প নয়, বরং ইসলামের শাশ্বত জ্ঞান ও মূল্যবোধ ছড়িয়ে দেওয়ার একটি কার্যকর মাধ্যম হিসেবে দেখা হচ্ছে। নবী করিম (সা.) তাঁর জীবদ্দশায় দাওয়াতের কাজে ভাষা, পত্রবিনিময়, দূত প্রেরণ ও সরাসরি সাক্ষাৎকে কাজে লাগিয়েছিলেন। আধুনিক যুগে ভিডিও, অডিও, পডকাস্ট কিংবা অনলাইন কোর্সের মাধ্যমে দ্বীনের প্রচার বহু দূর বিস্তৃত হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্টদের মতে, দাওয়াতের সাফল্য কেবল ভিউ বা অনুসারী বৃদ্ধির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; মানুষের চিন্তা, চরিত্র ও নৈতিকতায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনাই এর মূল লক্ষ্য।

ঐতিহ্যগতভাবে মসজিদ, মাদরাসা ও ইসলামিক গ্রন্থাগার জ্ঞানচর্চার প্রধান কেন্দ্র হলেও আধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক ওয়েবসাইট, ইউটিউব বা সামাজিক প্ল্যাটফর্মগুলো এখন এক একটি ‘ডিজিটাল মিম্বর’ হিসেবে রূপ নিয়েছে। এর মাধ্যমে ভৌগোলিক সীমানা পেরিয়ে সর্বস্তরের মানুষের কাছে ইসলামি সমাধান পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। সর্বোপরি ডিজিটাল লাইব্রেরি ও অনলাইন ডেটাবেজ বিশ্বজুড়ে তাফসির ও হাদিসের মতো আকর গ্রন্থগুলোকে সাধারণ মানুষের হাতের নাগালে নিয়ে এসেছে।

Share this news as a Photo Card