মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলার বাদী ও রাষ্ট্রপক্ষের অন্যতম প্রধান সাক্ষী মানিক পশারীর মরদেহ তোপের মুখে পড়ে দীর্ঘ ১৭ ঘণ্টা পর গভীর রাতে দাফন করা হয়েছে। পিরোজপুর সদর উপজেলার শংকরপাশা ইউনিয়নের চিতলিয়া গ্রামে নিজ পারিবারিক কবরস্থানে স্বজনদের উপস্থিতিতে কড়া পুলিশ পাহারায় এই দাফন সম্পন্ন হয়।
এর আগে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় অবস্থানকালে মানিক পশারীর মৃত্যু হয়। পরে তার মরদেহ পিরোজপুর সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে আনা হলে স্থানীয় লোকজন ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের তীব্র অসন্তোষ ও প্রতিবাদের মুখে পড়ে মরদেহ বহনকারী গাড়ি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ লাইন্সে নিয়ে যায় এবং সেখানে আনুষ্ঠানিকতা শেষে কঠোর নিরাপত্তার বলয় তৈরি করে।
পরবর্তীতে গভীর রাতে পুলিশ ও স্থানীয় ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে মানিক পশারীর মরদেহ বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, এলাকায় চরম উত্তেজনাকর পরিস্থিতির কারণে স্থানীয় পুরুষদের অনুপস্থিতিতে পরিবারের নারী সদস্যরাই কবর খনন করে দাফন কার্য সম্পন্ন করেন।
তবে পিরোজপুর জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আব্দুর রাজ্জাক জানিয়েছেন, জামায়াতে ইসলামী বা তাদের সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে লাশ দাফনে কোনো প্রকার বাধা দেওয়া হয়নি। বরং প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হয়েছে। পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শরিফুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সার্বিক নিরাপত্তায় লাশ দাফন সম্পন্ন হয়েছে এবং অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।























