মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
০৬:২১ পূর্বাহ্ন | ২৯শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | বৃহঃস্পতিবার, ১৩ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

‘গোল্ডেন সিল্ক রোড মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড, চীন-বাংলাদেশ মৈত্রীর নতুন দিগন্ত: চীনা রাষ্ট্রদূত

  • হালনাগাদ সময় : ১১:১১:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৫ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেছেন, সিল্ক রোড পূর্ব ও পশ্চিমের পারস্পরিক শিক্ষার মহান উদাহরণ ছিল এবং মানবসমাজের অগ্রগতিতে সহায়তা করেছে। আজ ‘গোল্ডেন সিল্ক রোড’ এত উজ্জ্বল কারণ আপনাদের মতো মিডিয়া পেশাজীবীদের অক্লান্ত পরিশ্রম। আমি বিশ্বাস করি, এটি হৃদয়কে সংযুক্ত করবে এবং সভ্যতার মধ্যে সেতুবন্ধন করবে।

বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমির চিত্রশালা মিলনায়তনে গোল্ডেন সিল্ক রোড মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এতে বাংলাদেশের গণমাধ্যমে দুই দেশের বন্ধুত্ব ফুটিয়ে তোলার স্বীকৃতি হিসেবে মোট ২৯ জন সাংবাদিককে পুরস্কার প্রদান করা হয়।

৫টি ক্যাটাগরিতে জমা পড়া মনোনয়ন থেকে বছরের সেরা ২৯টি প্রতিবেদনকে পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত করা হয়। ২০২৪ সালের ১ নভেম্বর থেকে ২০২৫ সালের ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত বা সম্প্রচারিত প্রতিবেদনগুলোকে মনোনয়নের জন্য বিবেচনা করা হয়।

চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, গোল্ডেন সিল্ক রোড মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড চীন ও বাংলাদেশের দশটি মিডিয়া গ্রুপের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এটি কেবল চীন-সংক্রান্ত ভালো সংবাদ প্রতিবেদনকে ঊর্ধ্বে তুলে ধরে না বরং আমাদের দুই দেশের বন্ধুত্বকেও তুলে ধরে। এটি আমাদের জনগণের মধ্যে বিশ্বাস গড়ে তুলতে সাহায্য করবে এবং সম্পর্কে দীর্ঘস্থায়ী শক্তি জোগাবে।

রাষ্ট্রদূত বলেন, মিডিয়া বিনিময় সভ্যতাগুলোকে একে অপরকে বোঝার এবং একে অপরের কাছ থেকে শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ করে দেয়। আজ বিশ্বে খবর ছড়ানোর ধরন বদলে গেছে। চীন-বাংলাদেশ মিডিয়া সহযোগিতা জনগণের জীবনমানের বাস্তব উন্নতি এবং সাংস্কৃতিক সংযোগের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। এটি আমাদের দুই সংস্কৃতির মধ্যে আরও শক্তিশালী সহযোগিতা ও সংলাপের জন্য ন্যায্য ও সত্য ভিত্তি প্রদান করে।

তিনি বলেন, এ বছর চীন-বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছরপূর্তি এবং এটি চীন-বাংলাদেশ জনগণের মধ্যে বিনিময়ের বছর। আগামী বছর বাংলাদেশের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভে যোগদানের ১০ বছর হবে। চীন এখন তার ১৪তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে এবং ১৫তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার প্রস্তুতি নিচ্ছে। চীন মানুষকেন্দ্রিক উচ্চমানের উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রযুক্তিতে স্বনির্ভরতা বাড়ানো, সবুজ রূপান্তর প্রচার এবং সবার জন্য সমৃদ্ধি নিশ্চিত করে চীন একটি আধুনিক সমাজতান্ত্রিক দেশ গড়ে তুলতে চায়।

তিনি আরও বলেন, আমি আশা করি, দুই দেশের মিডিয়া চীনের উন্নয়নের গল্প ও অভিজ্ঞতা আরও বেশি প্রচার করবে, চীনের আধুনিকীকরণের গল্প শেয়ার করবে এবং চীন ও চীন-বাংলাদেশ বন্ধুত্বের গল্পগুলো জীবন্ত করে তুলবে। এটি সবার জন্য উন্নত ভবিষ্যত গড়ে তুলবে এবং চীন-বাংলাদেশ বন্ধুত্বের জন্য আরও উজ্জ্বল অধ্যায় উন্মোচন করবে।

 

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে: হুমায়ুন কবীর

28 October 2026

নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা চলছে, ফল মেনে নেব: বিএনপি প্রার্থী মির্জা ফয়সল

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

‘গোল্ডেন সিল্ক রোড মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড, চীন-বাংলাদেশ মৈত্রীর নতুন দিগন্ত: চীনা রাষ্ট্রদূত

হালনাগাদ সময় : ১১:১১:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেছেন, সিল্ক রোড পূর্ব ও পশ্চিমের পারস্পরিক শিক্ষার মহান উদাহরণ ছিল এবং মানবসমাজের অগ্রগতিতে সহায়তা করেছে। আজ ‘গোল্ডেন সিল্ক রোড’ এত উজ্জ্বল কারণ আপনাদের মতো মিডিয়া পেশাজীবীদের অক্লান্ত পরিশ্রম। আমি বিশ্বাস করি, এটি হৃদয়কে সংযুক্ত করবে এবং সভ্যতার মধ্যে সেতুবন্ধন করবে।

বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমির চিত্রশালা মিলনায়তনে গোল্ডেন সিল্ক রোড মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এতে বাংলাদেশের গণমাধ্যমে দুই দেশের বন্ধুত্ব ফুটিয়ে তোলার স্বীকৃতি হিসেবে মোট ২৯ জন সাংবাদিককে পুরস্কার প্রদান করা হয়।

৫টি ক্যাটাগরিতে জমা পড়া মনোনয়ন থেকে বছরের সেরা ২৯টি প্রতিবেদনকে পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত করা হয়। ২০২৪ সালের ১ নভেম্বর থেকে ২০২৫ সালের ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত বা সম্প্রচারিত প্রতিবেদনগুলোকে মনোনয়নের জন্য বিবেচনা করা হয়।

চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, গোল্ডেন সিল্ক রোড মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড চীন ও বাংলাদেশের দশটি মিডিয়া গ্রুপের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এটি কেবল চীন-সংক্রান্ত ভালো সংবাদ প্রতিবেদনকে ঊর্ধ্বে তুলে ধরে না বরং আমাদের দুই দেশের বন্ধুত্বকেও তুলে ধরে। এটি আমাদের জনগণের মধ্যে বিশ্বাস গড়ে তুলতে সাহায্য করবে এবং সম্পর্কে দীর্ঘস্থায়ী শক্তি জোগাবে।

রাষ্ট্রদূত বলেন, মিডিয়া বিনিময় সভ্যতাগুলোকে একে অপরকে বোঝার এবং একে অপরের কাছ থেকে শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ করে দেয়। আজ বিশ্বে খবর ছড়ানোর ধরন বদলে গেছে। চীন-বাংলাদেশ মিডিয়া সহযোগিতা জনগণের জীবনমানের বাস্তব উন্নতি এবং সাংস্কৃতিক সংযোগের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। এটি আমাদের দুই সংস্কৃতির মধ্যে আরও শক্তিশালী সহযোগিতা ও সংলাপের জন্য ন্যায্য ও সত্য ভিত্তি প্রদান করে।

তিনি বলেন, এ বছর চীন-বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছরপূর্তি এবং এটি চীন-বাংলাদেশ জনগণের মধ্যে বিনিময়ের বছর। আগামী বছর বাংলাদেশের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভে যোগদানের ১০ বছর হবে। চীন এখন তার ১৪তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে এবং ১৫তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার প্রস্তুতি নিচ্ছে। চীন মানুষকেন্দ্রিক উচ্চমানের উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রযুক্তিতে স্বনির্ভরতা বাড়ানো, সবুজ রূপান্তর প্রচার এবং সবার জন্য সমৃদ্ধি নিশ্চিত করে চীন একটি আধুনিক সমাজতান্ত্রিক দেশ গড়ে তুলতে চায়।

তিনি আরও বলেন, আমি আশা করি, দুই দেশের মিডিয়া চীনের উন্নয়নের গল্প ও অভিজ্ঞতা আরও বেশি প্রচার করবে, চীনের আধুনিকীকরণের গল্প শেয়ার করবে এবং চীন ও চীন-বাংলাদেশ বন্ধুত্বের গল্পগুলো জীবন্ত করে তুলবে। এটি সবার জন্য উন্নত ভবিষ্যত গড়ে তুলবে এবং চীন-বাংলাদেশ বন্ধুত্বের জন্য আরও উজ্জ্বল অধ্যায় উন্মোচন করবে।

 

Share this news as a Photo Card