মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
০৫:৪৪ অপরাহ্ন | ২৭শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | মঙ্গলবার, ১১ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

কবি রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহর ৭০তম জন্মবার্ষিকী পালিত, মরণোত্তর স্বাধীনতা পদকের দাবি

  • হালনাগাদ সময় : ০৭:০৫:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
  • ২৩ বার পড়া হয়েছে

‘ভালো আছি, ভালো থেকো, আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখো’র মতো কালজয়ী গানের স্রষ্টা প্রয়াত কবি রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহর ৭০তম জন্মবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষে বাগেরহাটের মোংলায় শোভাযাত্রা, সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন ও স্মারকমূল আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠান থেকে কবিকে মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক প্রদানের জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন তার পরিবারের সদস্যরা।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে রুদ্র স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে কবির গ্রামের বাড়ি মিঠাখালী বাজার থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কবির সমাধিতে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে উপস্থিত সর্বস্তরের মানুষ কবির সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান। পরে কবির রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালিত হয়।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে কবির নিজ বাড়িতে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। রুদ্র স্মৃতি সংসদের সভাপতি ও কবির অনুজ সুমেল সারাফাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অর্পিতা হালদার।

স্মরণসভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আ. মান্নান হাওলাদার, সাংগঠনিক সম্পাদক শাকির হোসেন, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নুর আলম শেখ, বিএনপি নেতা মোয়াজ্জেম হোসেন, মারুফ বিল্লাহ, আজিজ মোড়ল এবং স্থানীয় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মো. গোলাম ও জানে আলম বাবু।

সভাপতির বক্তব্যে সুমেল সারাফাত বলেন, রুদ্রের কবিতা সাম্যবাদ, অসাম্প্রদায়িকতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ভাস্বর। অসাম্য ও শোষণের বিরুদ্ধে তার বলিষ্ঠ অবস্থান তরুণ প্রজন্মকে দীক্ষিত করে চলেছে। একই সঙ্গে ভালোবাসা ও সৌন্দর্যের এক অনন্য প্রকাশ ঘটেছে তার লেখায়। স্বল্পায়ু জীবনে তিনি সাতটি কাব্যগ্রন্থ, বহু গল্প ও কাব্যনাট্যের পাশাপাশি বিখ্যাত গান রচনা করেছেন। তিনি ইতোমধ্যে একুশে পদকে ভূষিত হয়েছেন। এবার তাকে মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক দেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।

উল্লেখ্য, ১৯৫৬ সালের ১৬ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করা এই ক্ষণজন্মা কবি ১৯৯১ সালের ২১ জুন মাত্র ৩৫ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। ২০২৪ সালে তাকে মরণোত্তর একুশে পদক এবং ১৯৯৭ সালে মরণোত্তর শ্রেষ্ঠ গীতিকারের সম্মাননা প্রদান করা হয়।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রে কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি গঠিত: সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ

27 October 2026

সৈয়দপুরে সরকারি পাঠ্যবই বিক্রির তোড়জোড়, সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে কার্যক্রম স্থগিত

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

কবি রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহর ৭০তম জন্মবার্ষিকী পালিত, মরণোত্তর স্বাধীনতা পদকের দাবি

হালনাগাদ সময় : ০৭:০৫:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

‘ভালো আছি, ভালো থেকো, আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখো’র মতো কালজয়ী গানের স্রষ্টা প্রয়াত কবি রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহর ৭০তম জন্মবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষে বাগেরহাটের মোংলায় শোভাযাত্রা, সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন ও স্মারকমূল আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠান থেকে কবিকে মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক প্রদানের জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন তার পরিবারের সদস্যরা।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে রুদ্র স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে কবির গ্রামের বাড়ি মিঠাখালী বাজার থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কবির সমাধিতে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে উপস্থিত সর্বস্তরের মানুষ কবির সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান। পরে কবির রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালিত হয়।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে কবির নিজ বাড়িতে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। রুদ্র স্মৃতি সংসদের সভাপতি ও কবির অনুজ সুমেল সারাফাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অর্পিতা হালদার।

স্মরণসভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আ. মান্নান হাওলাদার, সাংগঠনিক সম্পাদক শাকির হোসেন, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নুর আলম শেখ, বিএনপি নেতা মোয়াজ্জেম হোসেন, মারুফ বিল্লাহ, আজিজ মোড়ল এবং স্থানীয় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মো. গোলাম ও জানে আলম বাবু।

সভাপতির বক্তব্যে সুমেল সারাফাত বলেন, রুদ্রের কবিতা সাম্যবাদ, অসাম্প্রদায়িকতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ভাস্বর। অসাম্য ও শোষণের বিরুদ্ধে তার বলিষ্ঠ অবস্থান তরুণ প্রজন্মকে দীক্ষিত করে চলেছে। একই সঙ্গে ভালোবাসা ও সৌন্দর্যের এক অনন্য প্রকাশ ঘটেছে তার লেখায়। স্বল্পায়ু জীবনে তিনি সাতটি কাব্যগ্রন্থ, বহু গল্প ও কাব্যনাট্যের পাশাপাশি বিখ্যাত গান রচনা করেছেন। তিনি ইতোমধ্যে একুশে পদকে ভূষিত হয়েছেন। এবার তাকে মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক দেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।

উল্লেখ্য, ১৯৫৬ সালের ১৬ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করা এই ক্ষণজন্মা কবি ১৯৯১ সালের ২১ জুন মাত্র ৩৫ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। ২০২৪ সালে তাকে মরণোত্তর একুশে পদক এবং ১৯৯৭ সালে মরণোত্তর শ্রেষ্ঠ গীতিকারের সম্মাননা প্রদান করা হয়।

Share this news as a Photo Card