মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
০২:১০ পূর্বাহ্ন | ২৯শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | বৃহঃস্পতিবার, ১৩ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

এফএএস ফাইন্যান্সের সাবেক কর্তাদের বিরুদ্ধে প্রায় ৫৯ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের দুই মামলা

  • হালনাগাদ সময় : ১০:১৭:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১১ বার পড়া হয়েছে

আর্থিক প্রতিষ্ঠান এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডে (এফএএস ফাইন্যান্স) ঋণের নামে প্রায় ৫৯ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির সাবেক চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ (এমডি) অন্যান্য কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সোমবার বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন এই তথ্য জানান।

দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১ এ মামলা দুটি দায়ের করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে দুদক মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন জানান, দুটি মামলায় মোট ২১ জনকে আসামি করা হয়েছে।

দুদকের অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রথম মামলায় মিম ট্রেডিং কর্পোরেশনের নামে ভুয়া ঋণ দেখিয়ে প্রায় ৫ কোটি ৮৩ লাখ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। এই মামলায় মোট ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে। আসামিদের মধ্যে মিম ট্রেডিং কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ওমর ফারুক এবং এফএএস ফাইন্যান্সের সাবেক চেয়ারম্যান মো. ছিদ্দিকুর রহমান, সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও একাধিক সাবেক পরিচালক রয়েছেন। অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, ব্যবসা সম্প্রসারণের কথা বলে ঋণ মঞ্জুর করা হলেও সেই অর্থ পূর্বের ঋণ দায় পরিশোধ এবং অন্যান্য খাতে স্থানান্তর করে আত্মসাৎ করা হয়, যা বাংলাদেশ ব্যাংকের ঋণ বিতরণ নীতিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

অন্যদিকে, দ্বিতীয় মামলাটি আরিয়ান কেমিক্যালস লিমিটেডের নামে ঋণ জালিয়াতির মাধ্যমে প্রায় ৫৩ কোটি ৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ঘিরে। এই মামলায় মোট ৯ জনকে আসামি করা হয়েছে। আসামিদের মধ্যে আরিয়ান কেমিক্যালস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ওমর শরীফ এবং এফএএস ফাইন্যান্সের সাবেক চেয়ারম্যান উজ্জল কুমার নন্দী, সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সাবেক পরিচালকরা অন্তর্ভুক্ত। এই মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে যে, যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়াই একাধিক দফায় ঋণ মঞ্জুর করা হয় এবং আত্মসাৎকৃত অর্থ অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বকেয়া ঋণ পরিশোধ ও নগদ উত্তোলনের মাধ্যমে সরিয়ে নেওয়া হয়।

দুদক জানিয়েছে, এই আত্মসাতের ঘটনায় জড়িত সকল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে: হুমায়ুন কবীর

28 October 2026

নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা চলছে, ফল মেনে নেব: বিএনপি প্রার্থী মির্জা ফয়সল

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

এফএএস ফাইন্যান্সের সাবেক কর্তাদের বিরুদ্ধে প্রায় ৫৯ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের দুই মামলা

হালনাগাদ সময় : ১০:১৭:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

আর্থিক প্রতিষ্ঠান এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডে (এফএএস ফাইন্যান্স) ঋণের নামে প্রায় ৫৯ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির সাবেক চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ (এমডি) অন্যান্য কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সোমবার বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন এই তথ্য জানান।

দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১ এ মামলা দুটি দায়ের করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে দুদক মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন জানান, দুটি মামলায় মোট ২১ জনকে আসামি করা হয়েছে।

দুদকের অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রথম মামলায় মিম ট্রেডিং কর্পোরেশনের নামে ভুয়া ঋণ দেখিয়ে প্রায় ৫ কোটি ৮৩ লাখ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। এই মামলায় মোট ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে। আসামিদের মধ্যে মিম ট্রেডিং কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ওমর ফারুক এবং এফএএস ফাইন্যান্সের সাবেক চেয়ারম্যান মো. ছিদ্দিকুর রহমান, সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও একাধিক সাবেক পরিচালক রয়েছেন। অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, ব্যবসা সম্প্রসারণের কথা বলে ঋণ মঞ্জুর করা হলেও সেই অর্থ পূর্বের ঋণ দায় পরিশোধ এবং অন্যান্য খাতে স্থানান্তর করে আত্মসাৎ করা হয়, যা বাংলাদেশ ব্যাংকের ঋণ বিতরণ নীতিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

অন্যদিকে, দ্বিতীয় মামলাটি আরিয়ান কেমিক্যালস লিমিটেডের নামে ঋণ জালিয়াতির মাধ্যমে প্রায় ৫৩ কোটি ৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ঘিরে। এই মামলায় মোট ৯ জনকে আসামি করা হয়েছে। আসামিদের মধ্যে আরিয়ান কেমিক্যালস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ওমর শরীফ এবং এফএএস ফাইন্যান্সের সাবেক চেয়ারম্যান উজ্জল কুমার নন্দী, সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সাবেক পরিচালকরা অন্তর্ভুক্ত। এই মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে যে, যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়াই একাধিক দফায় ঋণ মঞ্জুর করা হয় এবং আত্মসাৎকৃত অর্থ অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বকেয়া ঋণ পরিশোধ ও নগদ উত্তোলনের মাধ্যমে সরিয়ে নেওয়া হয়।

দুদক জানিয়েছে, এই আত্মসাতের ঘটনায় জড়িত সকল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Share this news as a Photo Card