ঢাকা ১২:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬

দুদিন পেছালো বাণিজ্য মেলা, চলছে স্টলের সাজসজ্জা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:০৭:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সরকার তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালনের সিদ্ধান্ত দেওয়ায় মাসব্যাপী ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা (ডিআইটিএফ) দুদিন পেছানো হয়েছে। শুরু হচ্ছে আগামী ৩ জানুয়ারি। এ অবস্থায় শেষ মুহূর্তের ব্যস্ততায় সময় পার করছেন ব্যবসায়ীরা। দম ফেলার যেন ফুসরত নেই। এখনও সাজানো হচ্ছে বিভিন্ন স্টল।

এটি ডিআইটিএফের ৩০তম আসর। মেলার যৌথ আয়োজক বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)। পূর্বনির্ধারিত ১ জানুয়ারির পরিবর্তে আগামী ৩ জানুয়ারি সকাল ১০টায় বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে প্রধান অতিথি হিসেবে এ মেলার উদ্বোধন করবেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। এবারের মেলার আনুষ্ঠানিক নাম রাখা হয়েছে ‘৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা (ডিআইটিএফ) ২০২৬।’ ইপিবি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সংস্থাটি জানায়, রাষ্ট্রীয় শোকের প্রতি সম্মান জানিয়ে এবং সরকার ঘোষিত শোক কর্মসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে উদ্বোধনী তারিখ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

১৯৯৫ সাল থেকে ঢাকার আগারগাঁওয়ে ডিআইটিএফ হয়ে আসছিল। পরবর্তীকালে চীন ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ অর্থায়নে ঢাকার পূর্বাচল নতুন শহরে ২০ একর জায়গায় নির্মাণ করা হয় বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টার। ২০২২ সাল থেকে বাণিজ্য মেলা সেখানেই হয়ে আসছে। এটি পঞ্চমবারের মতো আয়োজন। তবে তারিখ পরিবর্তন হলেও মেলার সার্বিক প্রস্তুতি নির্ধারিত সময় অনুযায়ী এগিয়ে চলছে। সাজানো হচ্ছে স্টলগুলো।

শেষ মুহূর্তের ব্যস্ততায় সময় পার করছেন ব্যবসায়ীরাশেষ মুহূর্তের ব্যস্ততায় সময় পার করছেন ব্যবসায়ীরা

মঙ্গলবার বিকালে সরেজমিনে দেখা গেছে, স্টলের নির্মাণকাজ এখনও শেষ হয়নি। এদিক-সেদিক ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে নির্মাণসামগ্রী ও বৈদ্যুতিক তার। মেলা প্রাঙ্গণে শেষ মুহূর্তের ব্যস্ততায় সময় পার করছেন ব্যবসায়ীরা। দম ফেলার ফুসরত নেই। স্টল ও প্যাভিলিয়নের নির্মাণকাজ, রঙের কাজ, আলোকসজ্জার কাজ করছেন শত শত শ্রমিক। হাতুড়ি-পেরেকের শব্দ, রঙের গন্ধ আর শেষ সময়ের সাজসজ্জায় মেলা প্রাঙ্গণ কর্মচাঞ্চল্যে ভরে উঠেছে।

তবে অধিকাংশ স্টলের নির্মাণ প্রায় শেষের দিকে। কিছু কিছু স্টলে রঙ, আলোকসজ্জা ও সাজসজ্জার কাজ চলছে। আবার কিছু স্টলে পণ্য সাজানোর কাজ শুরু হয়ে গেছে। আয়োজক ও অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর দাবি, ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যেই সব স্টল ও প্যাভিলিয়নের কাজ সম্পন্ন হয়ে যাবে। যেহেতু দুদিন সময় পাওয়া যাবে, তখন বাকি কাজগুলো করা যাবে।

প্রীতি কালেকশনের স্টলে কাজ করা রংমিস্ত্রি জুয়েল হাসান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কাজ করছি। সব কাজ সময়ের মধ্যেই শেষ হবে।’

একই কথা বলেছেন লিজা এন্টারপ্রাইজ নামের ইমিটেশন জুয়েলারি (গয়না) স্টলের স্টাফ মোহাম্মদ আবীর হোসেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের স্টলে ১০-১২ জন শ্রমিক দিনরাত কাজ করছেন। স্টলের কাজ প্রায় ৮০ ভাগ কাজ শেষ। আশা করছি, আগামী দুই দিনের মধ্যেই সব প্রস্তুতি শেষ হবে।’

মেলায় স্টল তৈরির কাজ করা মোতালিব হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘মেলায় প্রায় দুই হাজার ৫০০ স্কয়ার ফিটের একটি প্যাভিলিয়ন নির্মাণ করছি। শেডের কাজ শেষ। এখন রঙের কাজ চলছে। বাকি কাজ ৩১ ডিসেম্বরের আগেই শেষ হবে। ১ তারিখের আগেই কাজ শেষ হবে।’

আইপি কালেকশনের স্বত্বাধিকারী রহমতউল্লাহ বলেন, ‘আমাদের স্টলের প্রায় ৭০ শতাংশ কাজ শেষ। ডেকোরেশনের কাজও শেষ পর্যায়ে আছে। এখন রঙের কাজ চলছে।’

এখনও সাজানো হচ্ছে বিভিন্ন স্টলএখনও সাজানো হচ্ছে বিভিন্ন স্টল

রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) সূত্রে জানা গেছে, এবারের মেলায় দেশি ও বিদেশি মিলিয়ে মোট ৩২৪টি স্টল ও প্যাভিলিয়ন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ভারত, পাকিস্তান, তুরস্ক, ইরান, সিঙ্গাপুর ও আফগানিস্তানসহ একাধিক দেশের প্রতিষ্ঠান এতে অংশ নিচ্ছে। বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে থাকছে ‘বাংলাদেশ স্কয়ার’, যেখানে দর্শনার্থীরা দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও উন্নয়ন অগ্রযাত্রার বিভিন্ন দিক সম্পর্কে জানতে পারবেন।

ইপিবির মেলা ও প্রদর্শনী বিভাগের পরিচালক (উপ-সচিব) ওয়ারেস হোসাইন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার ৩০তম আসরের সব প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে। ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যেই প্যাভিলিয়ন ও স্টলের কাজ সম্পন্ন হবে। এবার ৩ জানুয়ারি উদ্বোধন হবে। তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালনের সিদ্ধান্ত হওয়ায় দুদিন পেছানো হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘মেলার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিসিটিভি নজরদারি, নিয়ন্ত্রিত প্রবেশপথ ও সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা টিম থাকবে। পাশাপাশি নকল ও নিম্নমানের পণ্য বিক্রি ঠেকাতে কঠোর মনিটরিং ব্যবস্থা থাকবে।’

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (রফতানি) আব্দুর রহিম খান বলেন, ‘রাষ্ট্রীয় শোকের বিষয়টি মাথায় রেখে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান পেছানো হয়েছে। তবে সার্বিক আয়োজন, পরিবেশবান্ধব ব্যবস্থাপনা ও তারুণ্যের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সব প্রস্তুতি আগের পরিকল্পনা অনুযায়ী চলছে। এবারের মেলায় পলিথিন ব্যাগ ও সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বিকল্প হিসেবে পরিবেশবান্ধব শপিং ব্যাগ সরবরাহ করা হবে। পাশাপাশি মাসব্যাপী সেমিনার ও সাংস্কৃতিক আয়োজন থাকবে।’

সব মিলিয়ে শোকের কারণে সময় পরিবর্তন হলেও আগামী ৩ জানুয়ারি উদ্বোধনের মাধ্যমে মেলার ৩০তম আসরকে সফল ও সুশৃঙ্খলভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে ইপিবি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইউনূসের বিপক্ষে এবং মহামান্যের পক্ষে নেমেছে মিডিয়া ও ফ্যাসিস্ট দোসররা

দুদিন পেছালো বাণিজ্য মেলা, চলছে স্টলের সাজসজ্জা

আপডেট সময় : ০৮:০৭:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সরকার তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালনের সিদ্ধান্ত দেওয়ায় মাসব্যাপী ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা (ডিআইটিএফ) দুদিন পেছানো হয়েছে। শুরু হচ্ছে আগামী ৩ জানুয়ারি। এ অবস্থায় শেষ মুহূর্তের ব্যস্ততায় সময় পার করছেন ব্যবসায়ীরা। দম ফেলার যেন ফুসরত নেই। এখনও সাজানো হচ্ছে বিভিন্ন স্টল।

এটি ডিআইটিএফের ৩০তম আসর। মেলার যৌথ আয়োজক বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)। পূর্বনির্ধারিত ১ জানুয়ারির পরিবর্তে আগামী ৩ জানুয়ারি সকাল ১০টায় বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে প্রধান অতিথি হিসেবে এ মেলার উদ্বোধন করবেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। এবারের মেলার আনুষ্ঠানিক নাম রাখা হয়েছে ‘৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা (ডিআইটিএফ) ২০২৬।’ ইপিবি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সংস্থাটি জানায়, রাষ্ট্রীয় শোকের প্রতি সম্মান জানিয়ে এবং সরকার ঘোষিত শোক কর্মসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে উদ্বোধনী তারিখ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

১৯৯৫ সাল থেকে ঢাকার আগারগাঁওয়ে ডিআইটিএফ হয়ে আসছিল। পরবর্তীকালে চীন ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ অর্থায়নে ঢাকার পূর্বাচল নতুন শহরে ২০ একর জায়গায় নির্মাণ করা হয় বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টার। ২০২২ সাল থেকে বাণিজ্য মেলা সেখানেই হয়ে আসছে। এটি পঞ্চমবারের মতো আয়োজন। তবে তারিখ পরিবর্তন হলেও মেলার সার্বিক প্রস্তুতি নির্ধারিত সময় অনুযায়ী এগিয়ে চলছে। সাজানো হচ্ছে স্টলগুলো।

শেষ মুহূর্তের ব্যস্ততায় সময় পার করছেন ব্যবসায়ীরাশেষ মুহূর্তের ব্যস্ততায় সময় পার করছেন ব্যবসায়ীরা

মঙ্গলবার বিকালে সরেজমিনে দেখা গেছে, স্টলের নির্মাণকাজ এখনও শেষ হয়নি। এদিক-সেদিক ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে নির্মাণসামগ্রী ও বৈদ্যুতিক তার। মেলা প্রাঙ্গণে শেষ মুহূর্তের ব্যস্ততায় সময় পার করছেন ব্যবসায়ীরা। দম ফেলার ফুসরত নেই। স্টল ও প্যাভিলিয়নের নির্মাণকাজ, রঙের কাজ, আলোকসজ্জার কাজ করছেন শত শত শ্রমিক। হাতুড়ি-পেরেকের শব্দ, রঙের গন্ধ আর শেষ সময়ের সাজসজ্জায় মেলা প্রাঙ্গণ কর্মচাঞ্চল্যে ভরে উঠেছে।

তবে অধিকাংশ স্টলের নির্মাণ প্রায় শেষের দিকে। কিছু কিছু স্টলে রঙ, আলোকসজ্জা ও সাজসজ্জার কাজ চলছে। আবার কিছু স্টলে পণ্য সাজানোর কাজ শুরু হয়ে গেছে। আয়োজক ও অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর দাবি, ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যেই সব স্টল ও প্যাভিলিয়নের কাজ সম্পন্ন হয়ে যাবে। যেহেতু দুদিন সময় পাওয়া যাবে, তখন বাকি কাজগুলো করা যাবে।

প্রীতি কালেকশনের স্টলে কাজ করা রংমিস্ত্রি জুয়েল হাসান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কাজ করছি। সব কাজ সময়ের মধ্যেই শেষ হবে।’

একই কথা বলেছেন লিজা এন্টারপ্রাইজ নামের ইমিটেশন জুয়েলারি (গয়না) স্টলের স্টাফ মোহাম্মদ আবীর হোসেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের স্টলে ১০-১২ জন শ্রমিক দিনরাত কাজ করছেন। স্টলের কাজ প্রায় ৮০ ভাগ কাজ শেষ। আশা করছি, আগামী দুই দিনের মধ্যেই সব প্রস্তুতি শেষ হবে।’

মেলায় স্টল তৈরির কাজ করা মোতালিব হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘মেলায় প্রায় দুই হাজার ৫০০ স্কয়ার ফিটের একটি প্যাভিলিয়ন নির্মাণ করছি। শেডের কাজ শেষ। এখন রঙের কাজ চলছে। বাকি কাজ ৩১ ডিসেম্বরের আগেই শেষ হবে। ১ তারিখের আগেই কাজ শেষ হবে।’

আইপি কালেকশনের স্বত্বাধিকারী রহমতউল্লাহ বলেন, ‘আমাদের স্টলের প্রায় ৭০ শতাংশ কাজ শেষ। ডেকোরেশনের কাজও শেষ পর্যায়ে আছে। এখন রঙের কাজ চলছে।’

এখনও সাজানো হচ্ছে বিভিন্ন স্টলএখনও সাজানো হচ্ছে বিভিন্ন স্টল

রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) সূত্রে জানা গেছে, এবারের মেলায় দেশি ও বিদেশি মিলিয়ে মোট ৩২৪টি স্টল ও প্যাভিলিয়ন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ভারত, পাকিস্তান, তুরস্ক, ইরান, সিঙ্গাপুর ও আফগানিস্তানসহ একাধিক দেশের প্রতিষ্ঠান এতে অংশ নিচ্ছে। বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে থাকছে ‘বাংলাদেশ স্কয়ার’, যেখানে দর্শনার্থীরা দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও উন্নয়ন অগ্রযাত্রার বিভিন্ন দিক সম্পর্কে জানতে পারবেন।

ইপিবির মেলা ও প্রদর্শনী বিভাগের পরিচালক (উপ-সচিব) ওয়ারেস হোসাইন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার ৩০তম আসরের সব প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে। ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যেই প্যাভিলিয়ন ও স্টলের কাজ সম্পন্ন হবে। এবার ৩ জানুয়ারি উদ্বোধন হবে। তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালনের সিদ্ধান্ত হওয়ায় দুদিন পেছানো হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘মেলার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিসিটিভি নজরদারি, নিয়ন্ত্রিত প্রবেশপথ ও সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা টিম থাকবে। পাশাপাশি নকল ও নিম্নমানের পণ্য বিক্রি ঠেকাতে কঠোর মনিটরিং ব্যবস্থা থাকবে।’

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (রফতানি) আব্দুর রহিম খান বলেন, ‘রাষ্ট্রীয় শোকের বিষয়টি মাথায় রেখে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান পেছানো হয়েছে। তবে সার্বিক আয়োজন, পরিবেশবান্ধব ব্যবস্থাপনা ও তারুণ্যের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সব প্রস্তুতি আগের পরিকল্পনা অনুযায়ী চলছে। এবারের মেলায় পলিথিন ব্যাগ ও সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বিকল্প হিসেবে পরিবেশবান্ধব শপিং ব্যাগ সরবরাহ করা হবে। পাশাপাশি মাসব্যাপী সেমিনার ও সাংস্কৃতিক আয়োজন থাকবে।’

সব মিলিয়ে শোকের কারণে সময় পরিবর্তন হলেও আগামী ৩ জানুয়ারি উদ্বোধনের মাধ্যমে মেলার ৩০তম আসরকে সফল ও সুশৃঙ্খলভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে ইপিবি।