বাংলাদেশের প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার গুণগত মান বাড়ানো এবং শিশুদের শিখনফল উন্নয়নের লক্ষ্যে ৩০ কোটি মার্কিন ডলার অর্থায়ন অনুমোদন করেছে বিশ্বব্যাংক। এই তহবিলের আওতায় প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত অধ্যয়নরত দেশের প্রায় ২ কোটি ৬০ লাখ শিশুর শিক্ষাগত উন্নয়নে বিভিন্ন বিশেষ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।
শুক্রবার ওয়াশিংটনে বিশ্বব্যাংক গ্রুপের নির্বাহী পরিচালকদের পর্ষদ ‘লার্নিং এনহ্যান্সমেন্ট অ্যান্ড অ্যাক্সিলারেশন ইন প্রাইমারি এডুকেশন প্রোগ্রাম’ শীর্ষক এই অর্থায়নের অনুমোদন দেয়। কর্মসূচিটির মূল উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষভিত্তিক পড়া, লেখা এবং গণিতের বুনিয়াদি দক্ষতা নিশ্চিত করা। একই সঙ্গে সরকারের পঞ্চম প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নেও এ তহবিল ভূমিকা রাখবে।
বিশ্বব্যাংকের তথ্যমতে, বাংলাদেশে প্রাথমিক স্তরে শিক্ষার্থী ভর্তির হার বাড়লেও শিক্ষার মান এখনও বেশ বড় চ্যালেঞ্জ। দেশে ১০ বছর বয়সী শিশুদের অর্ধেকের কাছাকাছি শিক্ষার্থী তাদের বয়সোপযোগী সহজ লেখা পড়তে ও তার অর্থ অনুধাবন করতে পারে না। এ ঘাটতি পূরণে শিক্ষকদের যুগোপযোগী প্রশিক্ষণ এবং বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।
বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটান বিভাগের পরিচালক জ্যঁ পেসমে জানান, একটি দক্ষ ও প্রতিযোগিতাসক্ষম জাতি গঠনে মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষাই মূল ভিত্তি। নতুন এই অর্থায়ন শিশুদের মানসম্মত শিক্ষা ও পাঠ্যক্রমে ধরে রাখার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থানের পথ সুগম করবে।

























