বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় মাত্র ১২ দিনের ব্যবধানে আবারও এক ভুয়া চিকিৎসকের সন্ধান মিলেছে। জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে কথিত এক নারী চিকিৎসক ও একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ব্যবস্থাপককে মোট দেড় লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা বাজারে এ অভিযান চালান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসমা উল হুসনা। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় এ অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, এনএসআই সদস্যরা ছদ্মবেশে রোগী সেজে তাসলিমা আক্তার আন্নি নামের এক নারীর চেম্বারে যান। প্রয়োজনীয় কোনো স্বীকৃত চিকিৎসাসনদ ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে তিনি মা ও শিশুবিষয়ক রোগীদের চিকিৎসা দিয়ে আসছিলেন। এছাড়া নিজস্ব ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংরক্ষণের দায়ে তাঁকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
পরে একই বাজারের ‘পল্লবী ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারে’ অভিযান পরিচালনা করা হয়। সেখানে সনদপ্রাপ্ত প্যাথলজিস্ট ছাড়াই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও রিপোর্ট প্রদানের প্রমাণ মেলায় প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপক মো. সাব্বির সরদারকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে এনএসআই ও বিমানবন্দর থানা পুলিশের সদস্যরা অংশ নেন।
উল্লেখ্য, এর আগে গত ১৮ অক্টোবর একই উপজেলার কলেজ গেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ভুয়া সনদ ব্যবহার করে ল্যাপটপ ডিভাইসের মাধ্যমে চিকিৎসার নামে প্রতারণার অভিযোগে আলীমুল ইসলাম নামের আরেক কথিত চিকিৎসককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছিল।

























