জাতীয় দলের একঝাঁক তারকা ক্রিকেটার নিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নতুন আয়োজন ডি-থ্রি ট্রফিতে শিরোপা জয়ের লক্ষ্য নিয়ে শক্তিশালী দল গড়েছে ওয়ালটন। জাতীয় দলের তারকা অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজকে আগেই আইকন ক্রিকেটার হিসেবে পেয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। পাশাপাশি লিটন কুমার দাস, তাসকিন আহমেদ, মুমিনুল হক, মার্শাল আইয়ুব, নাসুম আহমেদ, আরিফুল ইসলাম ও রনি তালুকদারের মতো প্রথম সারির ক্রিকেটারদের দলে ভিড়িয়েছে ওয়ালটন। তাঁদের অনেকেই সর্বশেষ ঢাকা প্রিমিয়ার লিগসহ ঘরোয়া ক্রিকেটের বিভিন্ন আসরে নিজেদের পারফরম্যান্সে আলো ছড়িয়েছেন। অভিজ্ঞ তারকাদের পাশাপাশি প্রতিভাবান তরুণ ক্রিকেটারদের সমন্বয়ে গড়া ভারসাম্যপূর্ণ দল নিয়ে শিরোপা জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী ওয়ালটন কর্তৃপক্ষ ও কোচিং স্টাফ।
দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে নতুন মাত্রা যোগ করতে টি-টোয়েন্টি, ওয়ানডে ও চার দিনের ক্রিকেটকে একই প্রতিযোগিতার আওতায় এনে ডি-থ্রি ট্রফি আয়োজন করছে বিসিবি। নতুন এই টুর্নামেন্টে অংশ নিচ্ছে ছয়টি ফ্র্যাঞ্চাইজি দল। প্রতিযোগিতাকে সামনে রেখে সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে অনুষ্ঠিত হয় খেলোয়াড় নিলাম।
সকাল ১০টায় শুরু হওয়া দীর্ঘ আট ঘণ্টার নিলামে তোলা হয় ২৬৯ জন ক্রিকেটারকে। ভারতের অভিজ্ঞ নিলামকারী চারু শর্মার প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত নিলামে পছন্দের ক্রিকেটারদের দলে ভেড়াতে প্রতিযোগিতায় নামে ছয় ফ্র্যাঞ্চাইজি। আগে থেকে নির্ধারিত একজন আইকন ক্রিকেটারের পাশাপাশি নিলাম থেকে ২২ জন করে ক্রিকেটার বেছে নেয় দলগুলো। ফলে প্রতিটি দলের স্কোয়াডে জায়গা পেয়েছেন ২৩ জন ক্রিকেটার।
নিলামে ওয়ালটনের অন্যতম বড় চমক জাতীয় দলের তারকা পেসার তাসকিন আহমেদ। তাঁকে দলে নিতে ওয়ালটন ব্যয় করেছে ২ কোটি ১০ লাখ পয়েন্ট। জাতীয় দলের নির্ভরযোগ্য উইকেটরক্ষক-ব্যাটার লিটন কুমার দাসকে ১ কোটি ৫৫ লাখ এবং অভিজ্ঞ টেস্ট ব্যাটার মুমিনুল হককে ৮০ লাখ পয়েন্টে দলে নিয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।
এ ছাড়া জাতীয় দলের স্পিনার নাসুম আহমেদকে ৬৯ লাখ, প্রতিভাবান তরুণ ক্রিকেটার আরিফুল ইসলামকে ৬২ লাখ, অভিজ্ঞ ব্যাটার মার্শাল আইয়ুবকে ৩৬ লাখ এবং রনি তালুকদারকে ৩০ লাখ পয়েন্টে দলে ভিড়িয়েছে ওয়ালটন।
বোলিং আক্রমণকে আরও শক্তিশালী করতে তাসকিন ও নাসুমের পাশাপাশি দলে নেওয়া হয়েছে তরুণ পেসার ইকবাল হাসান ইমনকে। তাঁকে পেতে ব্যয় হয়েছে ৬৬ লাখ পয়েন্ট। অন্যদিকে প্রতিশ্রুতিশীল অলরাউন্ডার সামিউন বাসির রাতুলকে ৫৪ লাখ এবং হাবিবুর রহমান সোহান ও রেজাউর রহমান রাজাকে ৩২ লাখ পয়েন্ট করে দলে নিয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।
ওয়ালটনের স্কোয়াডের অন্যতম বড় শক্তি অভিজ্ঞতা ও তারুণ্যের সমন্বয়। মিরাজের অলরাউন্ড নৈপুণ্য, লিটনের আক্রমণাত্মক ব্যাটিং, তাসকিনের গতিময় পেস আক্রমণ এবং মুমিনুলের দীর্ঘ সংস্করণের ক্রিকেটে অভিজ্ঞতা দলটিকে বাড়তি শক্তি জোগাবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি নাসুমের স্পিন, রনি ও মার্শালের ব্যাটিং অভিজ্ঞতা এবং তরুণ ক্রিকেটারদের সামর্থ্য তিন সংস্করণের প্রতিযোগিতায় ওয়ালটনকে শক্ত অবস্থানে রাখতে পারে।
























