মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
১২:৫৮ পূর্বাহ্ন | ২৮শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | বুধবার, ১২ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

পোশাক রপ্তানিতে ৩ মৌলিক পণ্যের অবদান ৮০ শতাংশ

  • হালনাগাদ সময় : ১১:৩৭:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানিতে ৬ দশমিক ১০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। এ সময়ে মোট রপ্তানি আয় হয়েছে ১ হাজার ৫৮ কোটি ডলার, যা গত অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ৯৯৭ কোটি ডলার।

রপ্তানি আয়ের এই প্রবৃদ্ধিতে প্রধান ভূমিকা রেখেছে বটমওয়্যার, সোয়েটার ও কার্ডিগান এবং টি-শার্ট ও ভেস্ট। এই তিন শ্রেণির পণ্যে রপ্তানি আয় সম্মিলিতভাবে বেড়েছে ৪৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার, যা মোট প্রবৃদ্ধির প্রায় ৮০ শতাংশ।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্যের ভিত্তিতে বাংলাদেশ অ্যাপারেল ভয়েসের (বিএভি) সংকলিত উপাত্তে এই চিত্র উঠে এসেছে।

প্রথম প্রান্তিকে মৌলিক পোশাকপণ্যের রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ৮২৬ কোটি ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৭ দশমিক ৪৫ শতাংশ বেশি। মোট পোশাক রপ্তানিতে এসব পণ্যের অংশ বেড়ে ৭৮ দশমিক ০৬ শতাংশ হয়েছে, যা গত অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ৭৭ দশমিক ০৮ শতাংশ।

পণ্যভিত্তিক হিসাবে বটমওয়্যারের রপ্তানি আয় বেড়েছে ২০ কোটি ১০ লাখ ডলার, সোয়েটার ও কার্ডিগানের ১৭ কোটি ৮০ লাখ এবং টি-শার্ট ও ভেস্টের ১০ কোটি ৪০ লাখ ডলার। প্রবৃদ্ধির হারে সবচেয়ে এগিয়ে ছিল শিশুদের পোশাক, যার রপ্তানি আয় বেড়েছে ১০ দশমিক ১৯ শতাংশ।

শার্ট ও ব্লাউজ রপ্তানি আয় ১ দশমিক ৭৭ শতাংশ বেড়ে ৮৪ কোটি ২০ লাখ ডলারে দাঁড়িয়েছে। তবে মোট পোশাক রপ্তানিতে এ শ্রেণির অংশ ৮ দশমিক ৩০ শতাংশ থেকে কমে ৭ দশমিক ৯৬ শতাংশ হয়েছে।

উন্নত ধরনের পোশাকপণ্যের রপ্তানি আয় মাত্র ১ দশমিক ৪২ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪৮ কোটি ডলারে। এ শ্রেণিতে ড্রেসের রপ্তানি আয় কমেছে ১০ দশমিক ৬৬ শতাংশ, স্পোর্টসওয়্যার ও অ্যাকটিভওয়্যারের ১১ দশমিক ২৪ শতাংশ এবং স্যুট ও এনসেম্বলসের ১৪ দশমিক ৪৮ শতাংশ।

ফলে মোট পোশাক রপ্তানিতে উন্নত ধরনের পণ্যের অংশ ১৪ দশমিক ৬৩ শতাংশ থেকে কমে ১৩ দশমিক ৯৮ শতাংশে নেমে এসেছে।

সামগ্রিকভাবে পোশাক রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি অব্যাহত থাকলেও তা মূলত মৌলিক পণ্যের ওপর অত্যন্ত নির্ভরশীল। উচ্চমূল্য সংযোজনকারী পোশাকের বাজার সম্প্রসারণ ও পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়ানো বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে রয়েছে।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

দুর্যোগ মোকাবিলা ও সামরিক প্রশিক্ষণ বাড়াতে একমত বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র

27 October 2026

রাষ্ট্রীয় সম্মান পাওয়াও জামায়াত ও এনসিপি সহ্য করতে পারছে না: মো. তারেক রহমান

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

পোশাক রপ্তানিতে ৩ মৌলিক পণ্যের অবদান ৮০ শতাংশ

হালনাগাদ সময় : ১১:৩৭:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানিতে ৬ দশমিক ১০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। এ সময়ে মোট রপ্তানি আয় হয়েছে ১ হাজার ৫৮ কোটি ডলার, যা গত অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ৯৯৭ কোটি ডলার।

রপ্তানি আয়ের এই প্রবৃদ্ধিতে প্রধান ভূমিকা রেখেছে বটমওয়্যার, সোয়েটার ও কার্ডিগান এবং টি-শার্ট ও ভেস্ট। এই তিন শ্রেণির পণ্যে রপ্তানি আয় সম্মিলিতভাবে বেড়েছে ৪৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার, যা মোট প্রবৃদ্ধির প্রায় ৮০ শতাংশ।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্যের ভিত্তিতে বাংলাদেশ অ্যাপারেল ভয়েসের (বিএভি) সংকলিত উপাত্তে এই চিত্র উঠে এসেছে।

প্রথম প্রান্তিকে মৌলিক পোশাকপণ্যের রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ৮২৬ কোটি ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৭ দশমিক ৪৫ শতাংশ বেশি। মোট পোশাক রপ্তানিতে এসব পণ্যের অংশ বেড়ে ৭৮ দশমিক ০৬ শতাংশ হয়েছে, যা গত অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ৭৭ দশমিক ০৮ শতাংশ।

পণ্যভিত্তিক হিসাবে বটমওয়্যারের রপ্তানি আয় বেড়েছে ২০ কোটি ১০ লাখ ডলার, সোয়েটার ও কার্ডিগানের ১৭ কোটি ৮০ লাখ এবং টি-শার্ট ও ভেস্টের ১০ কোটি ৪০ লাখ ডলার। প্রবৃদ্ধির হারে সবচেয়ে এগিয়ে ছিল শিশুদের পোশাক, যার রপ্তানি আয় বেড়েছে ১০ দশমিক ১৯ শতাংশ।

শার্ট ও ব্লাউজ রপ্তানি আয় ১ দশমিক ৭৭ শতাংশ বেড়ে ৮৪ কোটি ২০ লাখ ডলারে দাঁড়িয়েছে। তবে মোট পোশাক রপ্তানিতে এ শ্রেণির অংশ ৮ দশমিক ৩০ শতাংশ থেকে কমে ৭ দশমিক ৯৬ শতাংশ হয়েছে।

উন্নত ধরনের পোশাকপণ্যের রপ্তানি আয় মাত্র ১ দশমিক ৪২ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪৮ কোটি ডলারে। এ শ্রেণিতে ড্রেসের রপ্তানি আয় কমেছে ১০ দশমিক ৬৬ শতাংশ, স্পোর্টসওয়্যার ও অ্যাকটিভওয়্যারের ১১ দশমিক ২৪ শতাংশ এবং স্যুট ও এনসেম্বলসের ১৪ দশমিক ৪৮ শতাংশ।

ফলে মোট পোশাক রপ্তানিতে উন্নত ধরনের পণ্যের অংশ ১৪ দশমিক ৬৩ শতাংশ থেকে কমে ১৩ দশমিক ৯৮ শতাংশে নেমে এসেছে।

সামগ্রিকভাবে পোশাক রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি অব্যাহত থাকলেও তা মূলত মৌলিক পণ্যের ওপর অত্যন্ত নির্ভরশীল। উচ্চমূল্য সংযোজনকারী পোশাকের বাজার সম্প্রসারণ ও পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়ানো বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে রয়েছে।

Share this news as a Photo Card