উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে আলুর বাম্পার ফলন হলেও ন্যায্যমূল্যের অভাবে প্রতিবছরই বড় অঙ্কের লোকসান গুনতে হচ্ছে চাষিদের। পর্যাপ্ত সংরক্ষণাগারের অভাব এবং উৎপাদন খরচের তুলনায় বিক্রয়মূল্য কম হওয়ায় হিমাগারগুলোতেই এখনো পড়ে রয়েছে গত মৌসুমের বিপুল পরিমাণ আলু। এর মধ্যেই নতুন মৌসুমের আবাদ শুরু হওয়ায় বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির শঙ্কায় পড়েছেন রংপুর অঞ্চলের কৃষকরা।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে রংপুর বিভাগের আট জেলায় প্রায় ৫১ লাখ ৭৬ হাজার মেট্রিক টন আলু উৎপাদিত হয়েছে। তবে কৃষকদের অভিযোগ, হিমাগার পর্যায়ে বর্তমানে প্রতি কেজি আলু ১৪ থেকে ১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যার মধ্যে প্রায় ৭ টাকাই চলে যায় হিমাগারের ভাড়ায়। অথচ উৎপাদন খরচসহ প্রতি কেজিতে ব্যয় হয়েছে ১৬ থেকে ১৮ টাকা। ফলে কেজিপ্রতি কৃষকদের প্রায় ৮ থেকে ১১ টাকা পর্যন্ত লোকসান টানতে হচ্ছে।
মাঠপর্যায়ের কৃষকরা জানান, গত বছরের উৎপাদিত আলু লোকসানে বিক্রি করতে না পেরে অনেকেই ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। অনেকে এখন আলু চাষের ঝুঁকি কমিয়ে বিকল্প লাভজনক ফসলের দিকে ঝুঁকছেন। কৃষকদের পরামর্শ দিয়ে বিকল্প ও অর্থকরী ফসল চাষে কৃষি বিভাগের কার্যকর সহায়তা দাবি করেছেন স্থানীয় চাষিরা।


























