মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
০৯:১৪ পূর্বাহ্ন | ২৬শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | সোমবার, ১০ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

বেরোবিতে ১০ বছরেও শেষ হয়নি ছাত্রী হলের কাজ, নাম বদলে ক্ষোভের অবসান নেই

  • হালনাগাদ সময় : ০৪:৩২:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) নির্মাণাধীন ১০ তলা ছাত্রী হলের নাম পরিবর্তন করে ‘শেখ হাসিনা হল’-এর পরিবর্তে ‘বেগম খালেদা জিয়া হল’ রাখা হলেও দীর্ঘ এক দশকেও শেষ হয়নি নির্মাণকাজ। ধীরগতির কারণে শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকটের সমাধান ক্রমেই বিলম্বিত হচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রমতে, ২০১৭ সালের ৪ জানুয়ারি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ১০ তলা ছাত্রী হল, ড. ওয়াজেদ রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং ইনস্টিটিউট এবং স্বাধীনতা স্মারক—এই তিনটি উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। শুরুতে কাজের অগ্রগতি দৃশ্যমান হলেও পরবর্তী সময়ে নকশা পরিবর্তন ও অতিরিক্ত ব্যয় বরাদ্দের প্রস্তাব ওঠায় অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কাজ বন্ধের নির্দেশ দেয় এবং তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিললে প্রকল্পের অগ্রগতি স্থবির হয়ে পড়ে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম নুর-উন-নবীর সময়ে হল ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের পাঁচতলা পর্যন্ত কাঠামো তৈরি হয়েছিল। এরপর উপাচার্য অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহর মেয়াদে নকশা ও পরামর্শক প্রতিষ্ঠান পরিবর্তন করে ব্যয় দ্বিগুণেরও বেশি বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়। দীর্ঘ অচলাবস্থা কাটিয়ে চলতি বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি কাজ পুনরায় শুরু হলেও প্রয়োজনীয় শ্রমিক ও সরঞ্জামের অভাবে তা এখনো অত্যন্ত মন্থর গতিতে এগোচ্ছে, যা নিয়ে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

এমবাপের জোড়া গোলে এল ক্লাসিকোয় বার্সার অপরাজেয় যাত্রা থামাল রিয়াল

25 October 2026

৪৫তম বিসিএস: বিসিএস প্রশাসনে সহকারী কমিশনার পদে ২৬৬ জনের নিয়োগ

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

বেরোবিতে ১০ বছরেও শেষ হয়নি ছাত্রী হলের কাজ, নাম বদলে ক্ষোভের অবসান নেই

হালনাগাদ সময় : ০৪:৩২:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) নির্মাণাধীন ১০ তলা ছাত্রী হলের নাম পরিবর্তন করে ‘শেখ হাসিনা হল’-এর পরিবর্তে ‘বেগম খালেদা জিয়া হল’ রাখা হলেও দীর্ঘ এক দশকেও শেষ হয়নি নির্মাণকাজ। ধীরগতির কারণে শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকটের সমাধান ক্রমেই বিলম্বিত হচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রমতে, ২০১৭ সালের ৪ জানুয়ারি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ১০ তলা ছাত্রী হল, ড. ওয়াজেদ রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং ইনস্টিটিউট এবং স্বাধীনতা স্মারক—এই তিনটি উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। শুরুতে কাজের অগ্রগতি দৃশ্যমান হলেও পরবর্তী সময়ে নকশা পরিবর্তন ও অতিরিক্ত ব্যয় বরাদ্দের প্রস্তাব ওঠায় অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কাজ বন্ধের নির্দেশ দেয় এবং তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিললে প্রকল্পের অগ্রগতি স্থবির হয়ে পড়ে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম নুর-উন-নবীর সময়ে হল ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের পাঁচতলা পর্যন্ত কাঠামো তৈরি হয়েছিল। এরপর উপাচার্য অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহর মেয়াদে নকশা ও পরামর্শক প্রতিষ্ঠান পরিবর্তন করে ব্যয় দ্বিগুণেরও বেশি বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়। দীর্ঘ অচলাবস্থা কাটিয়ে চলতি বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি কাজ পুনরায় শুরু হলেও প্রয়োজনীয় শ্রমিক ও সরঞ্জামের অভাবে তা এখনো অত্যন্ত মন্থর গতিতে এগোচ্ছে, যা নিয়ে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

Share this news as a Photo Card