মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
০১:১৩ অপরাহ্ন | ২৬শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | সোমবার, ১০ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

টেক্সটাইল শিক্ষার মানোন্নয়ন ও গবেষণায় বিশেষ জোর দেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

  • হালনাগাদ সময় : ০৬:৩৮:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে

দেশের টেক্সটাইল খাতের চাহিদা মেটাতে দেশে আন্তর্জাতিক মানের দক্ষ প্রকৌশলী তৈরির ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বিদেশি বিশেষজ্ঞদের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নিজস্ব জনশক্তিকে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান। রোববার (২৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জুলহাস উদ্দিনের নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এই আহ্বান জানান। এ সময় সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ও বুটেক্সের অ্যালামনাই সদস্য ইঞ্জিনিয়ার সানজিদা ইসলামও উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রপতির প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

টেক্সটাইল খাতকে দেশের অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক স্তম্ভ হিসেবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, শিক্ষার্থীদের দেশ ও বিদেশে উপযুক্ত কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। এতে একদিকে যেমন দেশের দক্ষ জনশক্তির যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত হবে, অন্যদিকে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হবে। তিনি আরও বলেন, টেক্সটাইল শিল্পের কাঁচামালের জোগান নিশ্চিত করতে দেশে তুলার উৎপাদন বাড়াতে হবে। এজন্য কৃষকদের উৎসাহিত করা, উৎপাদন খরচ কমানোর উপায় বের করা এবং কৃষি ও টেক্সটাইল খাতের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করা জরুরি। পাশাপাশি পাট, আনারসের পাতা ও কলাগাছসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক উৎস থেকে তন্তু আহরণ এবং সিনথেটিক সুতা তৈরির সম্ভাবনা নিয়ে গবেষণা আরও বাড়ানোর তাগিদ দেন তিনি।

সাক্ষাৎকালে প্রতিনিধিদল দেশের তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল শিল্পের বিকাশে বুটেক্সের অবদান এবং সামগ্রিক শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। এ সময় তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, আধুনিক গবেষণাগার স্থাপন, জনবল বৃদ্ধি, বিসিএস (টেক্সটাইল) ক্যাডার সৃষ্টি, বাজেট বৃদ্ধি এবং পূর্বাচলে দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের জন্য জমি বরাদ্দের দাবি জানান। রাষ্ট্রপতি তাদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে এসব সমস্যা সমাধানের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এছাড়া আগামী বছরের মার্চে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তনে চ্যান্সেলর হিসেবে সভাপতিত্ব করার আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন রাষ্ট্রপতি।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

ই-টিন থাকলেই কি ৫ হাজার টাকা জরিমানা? জেনে নিন আসল সত্য কী

26 October 2026

এলপিজির বাজারে অরাজকতার মধ্যেই কমিশন দ্বিগুণ করার গণশুনানি ডেকেছে বিইআরসি

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

টেক্সটাইল শিক্ষার মানোন্নয়ন ও গবেষণায় বিশেষ জোর দেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

হালনাগাদ সময় : ০৬:৩৮:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

দেশের টেক্সটাইল খাতের চাহিদা মেটাতে দেশে আন্তর্জাতিক মানের দক্ষ প্রকৌশলী তৈরির ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বিদেশি বিশেষজ্ঞদের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নিজস্ব জনশক্তিকে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান। রোববার (২৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জুলহাস উদ্দিনের নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এই আহ্বান জানান। এ সময় সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ও বুটেক্সের অ্যালামনাই সদস্য ইঞ্জিনিয়ার সানজিদা ইসলামও উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রপতির প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

টেক্সটাইল খাতকে দেশের অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক স্তম্ভ হিসেবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, শিক্ষার্থীদের দেশ ও বিদেশে উপযুক্ত কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। এতে একদিকে যেমন দেশের দক্ষ জনশক্তির যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত হবে, অন্যদিকে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হবে। তিনি আরও বলেন, টেক্সটাইল শিল্পের কাঁচামালের জোগান নিশ্চিত করতে দেশে তুলার উৎপাদন বাড়াতে হবে। এজন্য কৃষকদের উৎসাহিত করা, উৎপাদন খরচ কমানোর উপায় বের করা এবং কৃষি ও টেক্সটাইল খাতের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করা জরুরি। পাশাপাশি পাট, আনারসের পাতা ও কলাগাছসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক উৎস থেকে তন্তু আহরণ এবং সিনথেটিক সুতা তৈরির সম্ভাবনা নিয়ে গবেষণা আরও বাড়ানোর তাগিদ দেন তিনি।

সাক্ষাৎকালে প্রতিনিধিদল দেশের তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল শিল্পের বিকাশে বুটেক্সের অবদান এবং সামগ্রিক শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। এ সময় তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, আধুনিক গবেষণাগার স্থাপন, জনবল বৃদ্ধি, বিসিএস (টেক্সটাইল) ক্যাডার সৃষ্টি, বাজেট বৃদ্ধি এবং পূর্বাচলে দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের জন্য জমি বরাদ্দের দাবি জানান। রাষ্ট্রপতি তাদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে এসব সমস্যা সমাধানের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এছাড়া আগামী বছরের মার্চে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তনে চ্যান্সেলর হিসেবে সভাপতিত্ব করার আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন রাষ্ট্রপতি।

Share this news as a Photo Card