মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন | ২৮শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | বুধবার, ১২ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

একি বললেন ভারতীয় সেনা প্রধান? হিন্দু ছাড়া কেউ সামরিক বাহিনী’তে আসতে পারবেনা

  • হালনাগাদ সময় : ১০:০০:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫
  • ৬৬ বার পড়া হয়েছে

ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী সম্প্রতি এক বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন, যা নিয়ে দেশজুড়ে আলোচনা চলছে। তিনি জানিয়েছেন, ২০২৮ সালের মধ্যে অ-হিন্দু সৈন্যদের সংখ্যা অর্ধেকের বেশি কমানো হবে এবং যারা হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করতে ইচ্ছুক নন, তাদের সেনাবাহিনী থেকে বাদ দেওয়া শুরু হয়েছে।

সেনাপ্রধান তার বক্তব্যে বলেন, “ভারতীয় সেনাবাহিনী মূলত হিন্দুদের জন্য, বাইরের লোক বা তথাকথিত আক্রমণকারীদের বংশধরদের জন্য নয়।” তিনি আরও যোগ করেন যে, যারা ধর্মান্তরিত হতে চান, তারা পাঁচ বছরের মধ্যে ধর্ম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেবেন, এবং তাদের পদোন্নতির আগে তাদের আন্তরিকতা পরীক্ষা করা হবে।

জেনারেল দ্বিবেদী জানান, “এটি শুধু যোগ্যতা বা বিশ্বস্ততার বিষয় নয়, বরং সেনাবাহিনীর সাংস্কৃতিক ঐক্য ও ধর্মীয় মূল্যবোধের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

তিনি আরও বলেন, “সেনার শপথ শুধুমাত্র সংবিধান নয়, বরং আমাদের ঐতিহ্য ও বিশ্বাসের প্রতি হওয়া উচিত। আমাদের বাহিনী যেন আমাদের জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হয়ে থাকে, তাই আমাদের সেনাবাহিনীতে ধর্মীয় ঐক্য বজায় রাখতে হবে।”

এই মন্তব্যের পর রাজনৈতিক এবং সামাজিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, সেনাপ্রধানের এমন অবস্থান ভারতীয় সেনাবাহিনীর ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্রের ওপর একটি বড় ধরনের প্রশ্নচিহ্ন তৈরি করতে পারে।

এছাড়াও, বেশ কিছু মানবাধিকার সংস্থা এবং ধর্মীয় সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকে এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। তাদের মতে, ভারতীয় সেনাবাহিনী যদি শুধু এক ধর্মের ওপর নির্ভর করে পরিচালিত হয়, তবে তা দেশের বহুত্ববাদী সমাজের ভিত্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

এখনো পর্যন্ত, ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া আসেনি। তবে সেনাপ্রধানের বক্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

দুর্যোগ মোকাবিলা ও সামরিক প্রশিক্ষণ বাড়াতে একমত বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র

27 October 2026

রাষ্ট্রীয় সম্মান পাওয়াও জামায়াত ও এনসিপি সহ্য করতে পারছে না: মো. তারেক রহমান

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

একি বললেন ভারতীয় সেনা প্রধান? হিন্দু ছাড়া কেউ সামরিক বাহিনী’তে আসতে পারবেনা

হালনাগাদ সময় : ১০:০০:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫

ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী সম্প্রতি এক বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন, যা নিয়ে দেশজুড়ে আলোচনা চলছে। তিনি জানিয়েছেন, ২০২৮ সালের মধ্যে অ-হিন্দু সৈন্যদের সংখ্যা অর্ধেকের বেশি কমানো হবে এবং যারা হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করতে ইচ্ছুক নন, তাদের সেনাবাহিনী থেকে বাদ দেওয়া শুরু হয়েছে।

সেনাপ্রধান তার বক্তব্যে বলেন, “ভারতীয় সেনাবাহিনী মূলত হিন্দুদের জন্য, বাইরের লোক বা তথাকথিত আক্রমণকারীদের বংশধরদের জন্য নয়।” তিনি আরও যোগ করেন যে, যারা ধর্মান্তরিত হতে চান, তারা পাঁচ বছরের মধ্যে ধর্ম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেবেন, এবং তাদের পদোন্নতির আগে তাদের আন্তরিকতা পরীক্ষা করা হবে।

জেনারেল দ্বিবেদী জানান, “এটি শুধু যোগ্যতা বা বিশ্বস্ততার বিষয় নয়, বরং সেনাবাহিনীর সাংস্কৃতিক ঐক্য ও ধর্মীয় মূল্যবোধের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

তিনি আরও বলেন, “সেনার শপথ শুধুমাত্র সংবিধান নয়, বরং আমাদের ঐতিহ্য ও বিশ্বাসের প্রতি হওয়া উচিত। আমাদের বাহিনী যেন আমাদের জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হয়ে থাকে, তাই আমাদের সেনাবাহিনীতে ধর্মীয় ঐক্য বজায় রাখতে হবে।”

এই মন্তব্যের পর রাজনৈতিক এবং সামাজিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, সেনাপ্রধানের এমন অবস্থান ভারতীয় সেনাবাহিনীর ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্রের ওপর একটি বড় ধরনের প্রশ্নচিহ্ন তৈরি করতে পারে।

এছাড়াও, বেশ কিছু মানবাধিকার সংস্থা এবং ধর্মীয় সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকে এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। তাদের মতে, ভারতীয় সেনাবাহিনী যদি শুধু এক ধর্মের ওপর নির্ভর করে পরিচালিত হয়, তবে তা দেশের বহুত্ববাদী সমাজের ভিত্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

এখনো পর্যন্ত, ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া আসেনি। তবে সেনাপ্রধানের বক্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে।

Share this news as a Photo Card