মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা প্রশমন এবং চলমান সংকট নিরসনের উপায় নিয়ে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন করে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার আশঙ্কায় পুরো অঞ্চল যখন চরম উদ্বেগের মধ্যে রয়েছে, তখন এ ফোনালাপ অনুষ্ঠিত হলো। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
কাতারের আমিরের গণমাধ্যম দপ্তরের এক বিবৃতিতে বলা হয়, দুই নেতার আলোচনায় মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা অবসানে আন্তর্জাতিক উদ্যোগ এবং চলমান সংকট নিরসনে একটি সমন্বিত চুক্তিতে পৌঁছাতে দোহার মধ্যস্থতার বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে কাতার। ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার সংঘাতের শুরুর দিকে কাতারসহ যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র উপসাগরীয় দেশগুলো হামলার শিকার হয়েছিল। ফলে নতুন করে যেন কোনো উত্তেজনা তৈরি না হয়, সে বিষয়ে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করছে দেশগুলো।
ফোনালাপে শেখ তামিম বিরোধ নিষ্পত্তিতে কূটনৈতিক পথ অনুসরণ, জ্বালানি সরবরাহের নিরাপত্তা রক্ষা এবং আন্তর্জাতিক সমুদ্রসীমায় অবাধ চলাচল নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এদিকে যুদ্ধ এড়িয়ে আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানে মধ্যপ্রাচ্যের প্রতিবেশী দেশগুলোর চলমান কূটনৈতিক তৎপরতার অংশ হিসেবে মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আবদেলাত্তির সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।
ফোনালাপে মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী যেকোনো রাজনৈতিক সমাধানে পৌঁছাতে সব পক্ষকে নমনীয়তা ও সমঝোতার মনোভাব প্রদর্শনের আহ্বান জানান।
চলতি সপ্তাহে তুরস্ক ও উপসাগরীয় বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গেও টেলিফোনে কথা বলেছেন আরাগচি। এসব আলোচনায় আঞ্চলিক পরিস্থিতি এবং সামুদ্রিক নৌচলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টি প্রাধান্য পেয়েছে।

























