কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাওয়ার পর ফ্রান্সে আবারও নতুন করে বড় ধরনের বিক্ষোভের প্রস্তুতি চলছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং সহিংসতা প্রতিরোধে দেশজুড়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করেছে দেশটির প্রশাসন।
ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা ও সহিংসতা মোকাবিলায় দেশজুড়ে প্রায় ৭০ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর আগে বিক্ষোভের সার্বিক মাত্রা সঠিকভাবে অনুধাবন করতে না পারায় সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছিল বিরোধী দলগুলো। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন চরমপন্থী ও উগ্র গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে উস্কানি দেওয়ার অভিযোগ তুলে ফরাসি প্রশাসন সতর্ক করেছে যে, ভাঙচুর, লুটপাট ও সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে দ্রুত বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বেশ কয়েকজনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
পরিস্থিতি শান্ত করার লক্ষ্যে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ হাইস্কুল শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় বসেছিলেন। তবে আলোচনা সত্ত্বেও নিজেদের আন্দোলন কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে শিক্ষার্থী সংগঠনগুলো। একই সঙ্গে প্যারিসসহ লিঁও, নিস ও মঁপেলিয়ারের মতো প্রধান শহরগুলোতে জনসমাবেশের ওপর কঠোর কড়াকড়ি ও নিষেধাজ্ঞা বজায় রাখা হয়েছে।


























