একতারা, দোতারা আর ডুগডুগির চিরচেনা সুরে আচ্ছন্ন হয়ে সুর-সাধনার এক ভিন্ন জগতে প্রবেশ করলেন সংগীতপ্রেমীরা। শনিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়ায় লালন আখড়াবাড়িতে ভেকধারী শিল্পীদের দলীয় সংগীদের মধ্য দিয়ে লালনসংগীতের ঐতিহ্যবাহী রাতের আসর শুরু হয়। তাঁদের কণ্ঠে ধ্বনিত হয় মানবপ্রেম ও আত্মানুসন্ধানের চিরন্তন বাণী।
সন্ধ্যা গড়িয়ে গভীর রাত নামতেই বাউল, সাধু, গবেষক ও সাধারণ ভক্তদের পদচারণায় জমজমাট হয়ে ওঠে আখড়াবাড়ির প্রাঙ্গণ। লালন একাডেমির নারী ও পুরুষ শিল্পীদের আলাদা দলীয় এবং একক পরিবেশনায় ভোররাত পর্যন্ত অব্যাহত থাকে এই সুর-সাধনা।
সংগীতের পাশাপাশি সাঁইজির মানবতাবাদী দর্শন—জাতপাত ও বর্ণপ্রথার ঊর্ধ্বে গিয়ে মানুষের পরিচয়কে অগ্রাধিকার দেওয়া এবং পরম সত্তাকে খোঁজার আকুতি উপস্থিত হাজারো শ্রোতাকে ভাবিয়ে তোলে। বহু দূর-দূরান্ত থেকে আগত বাউলভক্তরা রাত জেগে উপভোগ করেন এই আধ্যাত্মিক আয়োজনের প্রতিটি মুহূর্ত।


























