মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্মম নির্যাতনের শিকার বীরাঙ্গনা মুক্তিযোদ্ধা মোছা. জোহরা বেগমকে শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার প্রদান শেষে দাফন করা হয়েছে। তাঁর প্রয়াণে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের আরও একটি সংগ্রামী অধ্যায়ের অবসান ঘটল।
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সর্বানন্দ ইউনিয়নের রামভদ্র গ্রামের বাসিন্দা জোহরা বেগম ৮৬ বছর বয়সে বার্ধক্যজনিত কারণে নিজ বাড়িতে ইন্তেকাল করেন। রোববার রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। মৃত্যুকালে তিনি চার ছেলে ও তিন মেয়ে রেখে গেছেন। ১৯৭১ সালের তৎকালীন পাকিস্তানি বাহিনীর নির্যাতন ও সাহসিকতার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৮ সালের নভেম্বর মাসে তিনি সরকারিভাবে বীরাঙ্গনা মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি লাভ করেছিলেন।
এদিকে জোহরা বেগমকে শেষ বিদায় জানাতে উপস্থিত ছিলেন তাঁর ভাই তথা জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউটের (এনআইএলজি) মহাপরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম, গাইবান্ধার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এ কে এম হেদায়েতুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঈফফাত জাহান তুলিসহ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।






















